সামনে বসিয়ে দেখতে চাইছি
নিছক ভালো লাগবে বলে।
অন্যভাবে ও দেখতে পারি,
অন্য কোন শক্তি বলে।
সেথায় আছে শক্তি ক্ষরণ,
অর্জিত জ্ঞান শক্তি প্রাণের,
বিশ্ব থেকে বিমুখ হয়ে
আহুতি দেওয়া এই জীবনের।
সময় গতির বিপরীতে
আত্ম বলে যখন হাঁটি
শক্তি ক্ষরণ দেহের মাঝে
আত্মা টাকে টিকিয়ে রাখি।
প্রকৃতির -ই বিরুদ্ধে যাই
প্রকৃতির – ই শক্তি বলে,
আত্মা তাতে মুক্তি পাবে ,
শক্তি-সাম্য রুদ্ধ হলে।
কবিতা দুই –
বিগত – তে পৌঁছে গিয়ে , বহুবার দেখেছি ,
ঘটনা ,কারণ বসতো , অপরিচিত মনে হয় ।
বর্তমানে , তুমি আজ , স্বাধিষ্ঠান-এ থাকো ,
অনাবশ্যক সংকোচ দিয়ে দেহ – মন ঢাকো ।
আগামীর আগমনে দৃষ্টি যখন রাখি ,
চেনা বেশ, অপরিচিত , চিত্র বিস্মিত দেখি।
খুব সহজেই দেখাতে পারি ; অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যৎ
কোনো সময় ধরে দেব না হাতে ; অদৃষ্টের রেখা পথ।
জানা – দেখা, সবকিছুকেই বিস্মরণ-এ রেখে
স্বাভাবিকতায় ফিরে আসি দৃষ্টিটাকে ঢেকে।