কবিতায় প্রেমাঙ্কুর মৈত্র

যেতে বললেই চলে যাব নাকি….
যেতে বললেই চলে যাব নাকি!
মায়ের আঁচলে হলুদ বাটা ছোপের মতো
নাছোড় বসে থাকব গাছ হয়ে।
ক্রমশ বেড়েই চলবে বয়স
ছেঁড়া শাড়ি বদলে যাবে
স্টেনলেস স্টিলের থালা বাসনে।
বাসনওয়ালির পুঁটলির থেকেও
গভীর হলে অন্ধকার,
ওর চিবুকের তিল হবো।
প্রাত্যহিক জগতযাত্রায়
“থালা নেবে… বাটি। হাতা, খুন্তি গেলাস।”
মধ্যরাতের মাতাল দাম্পত্যের অপ্রেম
ঝনঝন শব্দে পাক খাবে ফ্ল্যাটের শার্শিতে।
ভোররাতে ঝগড়া মিটবে।
দাম্পত্য গাঢ় হবে।
তারও চেয়ে গাঢ় হবে সংক্রমণ।
ছোঁয়াচে অসুখ খুব, ভালবাসা।
অতিমারীর মতোই, প্রতিষেধক হীন।
এক অনন্ত উত্সব হবো
মায়ের আঁচলে, যুবতীর চিবুকে অথবা
ফাগুন ফুলের ঘুমন্ত পাপড়িতে।
যেতে বললেই চলে যাব নাকি!