সাপ্তাহিক ধারাবাহিক কথা সাগরে প্রদীপ গুপ্ত (পর্ব – ৪৩)

সুন্দরী মাকড়সা
এক মুহূর্ত দেরী না করে স্নেহা আর মিষ্টার ব্যানার্জী উঠে এলেন গাড়িতে। ঋষিই প্রথম কথা বলা শুরু করলো।
— মিষ্টার তরফদার — এই কেসটার আই ও।
ওরা দুজনেই নমস্কারের ভঙ্গিতে হাত তুললে ঋষি আবার বলে উঠলো — মিষ্টার তরফদার – ইনিই হচ্ছেন আমার অফিস কলিগ স্নেহা, আমাদের বাড়িতে কোন একজন মহিলাকে মার্ডার করা হয়েছে বলে আমি যে অনুমান ভিত্তিক স্টেটমেন্টটা দিলাম, সে অনুমানটার কৃতিত্ব সম্পূর্ণভাবে এর, আর ইনি হচ্ছেন মিষ্টার –
— হ্যাঁ, অফিসার আমি মিষ্টার অভিমন্যু ব্যানার্জী। আমি Actually younger brother of victim mrs bhattachaya.চার ভাইবোনের মধ্যে আমরা দুভাইবোন একদম পিঠোপিঠি।
আচ্ছা বাই দি ওয়ে, আপনারা কি আসার পথে কোনো বাইকারকে খুব স্পীডে বাইক চালিয়ে যেতে দেখেছেন?
— না তো!
ঋষি উত্তর দেয়। মিষ্টার ব্যানার্জী বেশ উত্তেজিত হয়ে পড়েছেন।
— ওফ্, শিট, একজন বাইকার ভীষণ স্পীডে এসে স্নেহাদেবীকে ধাক্কা মারার চেষ্টা করেছিলো। আমরা সচেতন থাকায় চাপা দিতে পারে নি, আমার মনে হয় আইদার তিনি আমার জামাইবাবু অথবা ওর এপোয়েন্টেড অন্য কোনো দুর্বৃত্ত।
এক্সকিউজ মি মিষ্টার ব্যানার্জী, You suspected that man your sister in law right? then you should know it’s number.
মিষ্টার তরফদার মিষ্টার ব্যানার্জীকে জিজ্ঞাসা করলেন।
— হ্যাঁ, জানি তো। ডাব্লিউ বি এম 2327. গাড়িটা পুরোনো ইয়াজদি।
মিষ্টার তরফদার ততক্ষণে ফোনে ডায়াল করা শুরু করে দিয়েছেন। — আচ্ছা চক্রবর্তীবাবু, ডাব্লিউ বি এম ২৩২৭ গাড়িটাকে একটু ট্রাক করুন তো ইমেডিয়েটলি। গাড়িটা ডায়মন্ড রোড দিয়ে দৌড়োচ্ছে। কোনোদিকে দেখতে পেলেই আমায় জানাও। গাড়ি আর ড্রাইভার দুটোকেই আটকে রেখে আমায় জানাও
ক্রমশ