T3 || প্রভাত ফেরি || বিশেষ সংখ্যায় পিয়াংকী

একটি অলিখিত উপশম
ছায়ার সাথে দূরত্ব বাড়লে…
একটা কাক এসে বসে থাকে কাঁধের খাঁজে
চালের পুঁইশাক আরও নাদুসনুদুস হয়।
ঘরের জিনিসপত্র বরফ ঢাকা কাঞ্চনজঙ্ঘা
সারাদিন কেটে যাবার পরও কোনো শূন্যতা দেখি না
বরং, মিইয়ে যাওয়া সূর্য দ্বিগুণ তেজে জ্বলে ওঠে,
কাক ডাকে মাথার ওপর। গুটিয়ে যায় কথাবার্তা
একটা সাদা ধবধবে গেঞ্জি একটা লুঙ্গি আর কয়েকটা কবিতার বইয়ের ভেতর থেকে আবরণ সরিয়ে সরিয়ে সাঁতরে আসেন যিনি তার বুকের ভিতর গর্ত। সেই গর্ত থেকে ধোঁয়া উঠছে। কুন্ডলীর
আকৃতি দেখে বোঝার উপায় নেই তার ভেতর কতগুলো গিঁট জমে আছে। অথচ সেই গর্তের উত্তাপ অগ্রাহ্য করেও হাজারজন দাঁড়িয়ে আছে পরপর, আমি দূরে বসে থাকি। ঘর উঠোন ছাদবাগান ন্যারোলেন স্ত্রী সন্তান নাতি নাতনি পেরিয়ে ভেতরে ঢুকে যাবার সাহস হয় না আমার।বরং এই যে টবের ঝিঙেফুল অথবা বিছানার পাশের কামিনী ফুল অথবা একটা সবুজ আলো জ্বলা ফেসবুক প্রোফাইল…এই অনেক বেশি শ্রেয়।
স্মৃতির সাথে হাঁটি। ধীরে
সেও নিঃশব্দ, আমিও নির্বাক-ধূসর
শুধু ফুলছাপ জংলাপ্রিন্টের ফতুয়া থেকে উড়ে আসে কয়েকটা সাদা বক।