T3 || কবিতা দিবস || বিশেষ সংখ্যায় পিয়াংকী

রাক্ষস
জানালার গায়ে ঠেসমূল। ওরা সৈনিক
ওদের নামে একদিন বুনেছিলাম বৃক্ষ
কিংবা যারা আধশোয়া অবস্থাতেও কবিতা পড়ত, তাদের নিয়ে নদী
কোনো নথি বা দলিল নেই তবু এগুলোর দাম ক্রমাগত লিখে রাখি গোপন প্রতিবেদনে
একটা শালুক একটা উপন্যাস অথবা একটা দেশলাই–
সবেতেই আবছা আলো আর এক আঁধার বিষণ্ণতা
রঙ বদলে কালপ্রভাত
আঘাত এখন সাদা পায়রা
এখন মুখভর্তি গমদানা
কবিতার শরীর ছাপিয়ে যাচ্ছে অনার্যবর্ষা আর ভরিভরি গহনায়
নৌকা নিয়ে বসে আছি সেই বৃক্ষের নীচে
যেখানে বৃষ্টি — বারোমাস
ধুয়ে যাচ্ছে গাছ আর তার আনুষাঙ্গিক সবকিছু
এবার থেকে নিয়মিত যারা এ’ পথে হাঁটবে
আমি তাদের জন্য বীমার ব্যবস্থা করব
যমুনার জলে ডুব দিয়ে তুলে আনব খটখটে কাপড়চোপড়
:
:
:
:
আশ্চর্য! আমার হাতের তালুতেই তৈরি হয়ে গেছে একটি নির্মেদ কবিতা
এবার সেই কবিতার নামকরণ নিয়ে পঞ্চায়েত হোক…