সাপ্তাহিক ধারাবাহিক কথা সাগরে পিয়াংকী (পর্ব – ২৮)

স্টেশন থেকে সরাসরি
বাংলা ২৮ শে ফাল্গুন ১৪২৮
ইংরেজি ১৪ ই মার্চ ২০২২
সোমবার
ক্রমশ নিস্তেজ হয়ে আসছে ফাল্গুনদিন, ঝাঁক বাঁধা রাজহাঁস নেমে যাচ্ছে জলের দিকে। গভীর অসুখ যেভাবে আচ্ছন্ন করে রাখে পরবর্তী স্টেশন সেভাবেই আমরাও উধাও হয়ে গেছি ধুনোর সাথে জ্বলতে থাকা কর্পূরের মত। কোথায় যাচ্ছি?কেন যাচ্ছি? আবার ফিরে আসব কিনা? জানা নেই কিছুই। অনুপম তার জীবনমুখী গানে বলেছেন, “সব পেলে নষ্ট জীবন “। আসলে অনুপম জানেন সবকিছু পাওয়া এক জন্মে সম্ভব হয় না,কিছু থেকেই যায় যা বয়ে আনে দারিদ্র্য বয়ে আনে দুর্দশা। এই দুর্দশাটুকুই নশ্বর জীবনের তিলেরখাঁজা। যার কুড়মুড় শব্দের অগ্নিকোণে বসতভিটে নৈঋতে চালচুলো আর ঈশানে ঘটিবাটি।
‘বসন্তের-দাগ’এর পাশে বসে থাকা মৌমাছি জানে
কতটা খুবলে নিলে সমতল হয়ে আসে বুকের পৃষ্ঠদেশ, আর কতটা উপড়ে ফেললে দৃশ্য হয়ে যায় আত্মপথের কঙ্কাল। রোগের পাশে আরোগ্যকে সাজিয়ে রেখে যারা বলেন কুন্দফুলের গন্ধ নাকি চুরি হয়ে যায় রোজ আমি তাঁদেরই জন্য রোজগার করতে যাই জুঁইবাগানে। মাটি খুঁড়ে জল ঢালি প্রাচীন আয়োজন ছিঁড়ে ফেলে রোদের ওপর টানিয়ে দিই ধ্বসে পড়া দেয়াল।
আচ্ছা স্তনবৃন্ত থেকে পাপড়ি ঝরে গেলে কি দোষ হয় শুধুমাত্র বেহায়া চন্দ্রগ্রহণের?