T3 || আমি ও রবীন্দ্রনাথ || সংখ্যায় পিয়াংকী

নির্ভরতা বিক্রয়যোগ্য নয়
নক্ষত্রের গায়ে বাষ্প। চাঁদের দাগে ভিজে যাচ্ছে জানালার কাচ। প্রখর বৈশাখে পান্তা-ইলিশ খাওয়া যায় কিনা সেকথা ভাবতে ভাবতে গুড়িয়ে যাচ্ছে বানভাসি মেঘ। কানভাঙা নৈঃশব্দ্যের পাশে তুমি বসে আছো, যেনো উদাস হাওয়ার পালে লেগেছে ভোরের স্তব্ধতা।
এই যে এতো অনশন এতো মোহ এতো অসাড়তা এসবের পাশে একটা সরু গলি,খুব সরু। কানাঘুপচি, আলো নেই অথচ আলেয়ার ভরা সাম্রাজ্য। সেই সাম্রাজ্যের রাজা যিনি তাঁর হাতে একটা আস্ত সাদা পাতা একখানা কলম, হাজার কবিতা উড়ে যাচ্ছে শুকনো পাতার মতো। তাঁর বুকে জল,সেই জলে ফুটে আছে অজস্র শালুক। তাঁর কপালে নদী, সেই নদীতে বয়ে যাচ্ছে সমসাময়িক জীবন যৌবন।
গীতবিতানের পাতায় যুদ্ধ, হারমোনিয়ামের শব্দে ঘোরতর কোন্দল। এক নাস্তিক বসে হাসছেন আর অগণিত জোনাকি ঘিরে আছে তাঁকে ঝিঁঝি পোকার মতো
আমার ঘরে তোমার কোনো ছবি নেই কেন ঠাকুর? কেন তোমার জন্য আমার কাছে আলাদা করে নির্দিষ্ট সময় নেই?