কবিতায় বলরুমে নিবিড় সাহা

ফল্গু ধারা
একটা মানুষ
পাথর ভাঙছে রোজ
ছোটো বড়
নানা আকারের পাথর
কখনও সখনও ফুলকি ছেটায় আগুন
পায়ের শিকল
বড্ড বেশি নাছোড়
একটা মানুষ
ছায়ার সাথে লড়ে
সকাল সন্ধ্যা
নানা আকারের ছায়া
বিষণ্ণতার বিলাসিতা মাখা রাতে
জীর্ণ আলোয়
ছিন্ন পাতার মায়া
একটা মানুষ
বেঁচেও মরে রোজ
ভিতর বাহির
দগদগে সব ক্ষত
রক্ত ক্ষরণ ভাসছে চোরা স্রোতে
তবুও যাপন
ফল্গু ধারার মত
তবুও যখন
বৃষ্টির কথা ভেবে
রাত জাগা চোখে
জল ভরা মেঘ আসে
দু এক পশলা বৃষ্টি হলে বুকে
মানুষ তখন
উজান গাঙে ভাসে।