সাপ্তাহিক ধারাবাহিক কথা সাগরে নীলম সামন্ত (পর্ব – ২৩)

ব্রহ্মমুখী সূর্য ও রেবতী রেবতী ঠোঁট
রোজ ফুল ফোটে একবার একটা করে অজানায় এগিয়ে যাই। ব্রহ্মমুখী পর্বের এই উপলব্ধি ঘিরে বহু আলো জ্বলে আর নিভে যায় হাজার আড়াল।
ছোট থেকেই দেখেছি এক ঘরের ভেতর আস্তিকতা ও, নাস্তিকতার বাণ৷ ঈশ্বরকে বিশ্বাস করতে বলা হলেও হাত পা বাধা নিয়ম কানুন কোনদিনই আমাদের একঘরে কিংবা বৃত্তবদ্ধ করে রাখেনি। এই পরিবেশে আমাদের মনের দরজাগুলো চরম ও অপার৷ প্রশ্ন আসে প্রশ্ন বলে যায়৷ উত্তর দাঁড়িয়ে থাকে হাত পা নিয়ে।
একএকবার শ্মশান ঘাটের কথা ভাবি কত কি পুড়ে যায়।অথচ পোড়ার কথা বললে আমরা খাঁটি হয়ে যাওয়াকে বিশ্বাস করি। এত কিছু ভাবার পরেও শব্দের কাছে ঋণ বাড়ে। আর আমরা নিজেরাই নিজেদের পাশে দাঁড়ানোর থেকে সরে আসি। ছায়া বুভুক্ষু হয়, পিছন ছাড়ে না। ওম৩4 যেদিকে যাই, সেদিকেই যেন অনুসরণ করে কখনো নিজের সাথে মিশেও যায়।
ছায়া আর আত্মার মধ্যে আত্মীয়তা যাই থাক রোজের ফুল নিজেকে আড়াল না করেই ফোটে। এক সময় ঠাকুমা বলতেন গাছে ফুল ফোটালেই মনে শান্তির বিচরণ হয়৷ সেই উদ্দেশ্যে সাদা কাঞ্চন ফুটিয়ে ছিলেন বাড়ির চারপাশে। এখন ঠাকুমাও নেই আর কাঞ্চন ও কোথায় যেন হারিয়ে গেছে। গতিবিধিতে কালপুরুষ দাঁড়িয়ে আছে নিজের মত। সন্তানকে দেখাই কালপুরুষের কোমরে তিনটে আলো। এক একটা আলোর এক এক নাম বলাবাহুল্য এই নামগুলি প্রাচীন পৃথিবীর মুনি ঋষির। পৃথিবী অনেকটা বৃহত্তর হয়ে যায় নিজস্ব পরিবেশের কথা বলতে গেলে, যা সচরাচর আমরা বলিই না৷
আসলে আমরা আত্মাকে ভয় পাই৷ সত্য কে ভয় পাই। আলোয় যা কিছু আলেয়া নয় তাই নিয়েই এগিয়ে যাওয়াই ব্রহ্মের পুজো।