সাপ্তাহিক ধারাবাহিক কথা সাগরে নীলম সামন্ত (পর্ব – ২৫)

ব্রহ্মমুখী সূর্য ও রেবতী রেবতী ঠোঁট
শহরের যানজট পেরিয়ে আঙুলগুলো বিচ্ছিন্ন। নতুন করে কিছু বোঝানোর নেই। যাবতীয় বিবাদ এড়িয়ে নতুন করে জানি ভালবাসা কখনও কখনও জাঁকিয়ে বসা মহাজাগতিক অধিকার। মিথ্যে আমিও বলিনা। জোর করে জুড়ে দেওয়া মুক্তো সাদা পুঁতির বিপ্রতীপ। কখনও দেখেছ অন্তরাত্মা ছাতা মাথায় রোদ থেকে বাঁচিয়ে রাখছে নরম মাটি, শোলার মুকুট? ঈশ্বর বড় প্রিয়। ঈশ্বরের ফেলে যাওয়া বেদানায় গাছ হয়৷ গাছের গোড়ায় সাইকেল রাখতে রাখতে ভুলে যাও প্যাডেলে পায়ের ছাপ আমাদের একফালি সূর্যের পোড়া গৃহসুখ ।
অনন্তের সিড়ি বেয়ে উঠে যাওয়া এই যাপন ঘিরে ওদের তীব্র চোখ৷ ওই চোখে ঈশ্বর কোনদিনই ছিল না৷ তুমি জোর করে দেখিয়েছ। নিজেকে শোধরানোর রাতে সভ্যতাকে শিখিয়েছ ভুল মানুষের হয় ঈশ্বরেরও। তার ফুল ফোটার মুহুর্তে অসুর যেমনই হোক মুখোশের আড়ালে সে ছুটে পার করতে চায় অধিকারের ভ্রান্ত পরিসর।