রম্য রচনায় নীল নক্ষত্র

ওরে বাজারে, বাজা

ওরে বাজারে, বাজা,
ঢ্যাম কুড় কুড়, ঢাক বাজা,
ঢোলক বাজা , কাঁসর বাজা ,
কাই নানা, কাই নানা।

পুজো এসেছে, পুজো এসেছে
আমরা সবাই আহ্লাদেতে
আটখানা, আটখানা।

ওরে , বাজারে বাজা………

নাক উঁচিয়ে লক্ষ্মীপেঁচা
নোলোকপড়া নাকে,
ঠারেঠোরে দ্যাখে, গণেশ ভায়ার
পুঁচকে ইঁদুরটাকে!

ইঁদুরছানা ভয়ে মরে,…..
পেঁচোয় বুঝি পাছে ধরে
কালোনুনিয়া ধানের ক্ষেতে,
লক্ষ্মীপুজোর রাতে।

পুজো এসেছে, পুজো এসেছে,
খুশির হাওয়া
এমন ধারাই থাক,

ঐ দেখো ভাই ,
ঢুলি ভায়া ঢোলক বাজায়
মা বাজায় শাঁখ।

সরস্বতীর হাঁস চলেছে,
হেলেদুলে পুকুর পাড়ে
একসেরে এক বোকা,

দু’তিনটে গুগলি তুলে
প্যাকপ্যাকিয়ে
কয় সে কথা একা।

কাত্তিকের ময়ূর যখন পুচ্ছ তুলে ধুনচি নাচ নাচতে গেছে
ঠাকুরদাদার পিছে,

ঠানদি তখন ট্যারা চোখে
তাকিয়ে দেখে,
পাছাপেড়ে শাড়ি পড়ে ,মনময়ূরী কেমনতর নাচায় কোমর,
ভিড়ের মাঝে এসে।

জয় মা দুগ্গা, দুগ্গতিনাশিনী….

তোমার বাহনটাকে ছাড়ো
একবার মা……..
মনময়ূরীর মুন্ডু চিবোয়
আয়েশ করে যবে,
আমার হাড় জুড়োবে তবে।

তাতেও যদি না ফেরে বুড়ো ,
তোমার হাতের ত্রিশূল নিয়ে আমিই- হবো ফোকলা দাঁতে ক্ষেমঙ্করী
নবদুগ্গী-ঈঈঈ।

ওরে বাজারে,বাজা,
ঢ্যাম কুড় কুড়, ঢাক বাজা,
ঢোলক বাজা , কাঁসর বাজা ,
কাই নানা, কাই নানা ।

পুজো এসেছে ,পুজো এসেছে,
আমরা সবাই আহ্লাদেতে
আটখানা, আটখানা।

ঢ্যাম কুড় কুড়, ঢ্যাম কুড় কুড় ,
ঢাক বাজা, ঢোলক বাজা,……..

ওরে বাজারে বাজারে, বাজা ……।।

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।