কবিতায় নবকুমার মাইতি

লক্ষীর পদচিহ্ন

পথ চলতে কখন যেন আনমনা হয়ে যাই
অজান্তে ডুব সাঁতার কাটতে কাটতে
কখন জলপরী ,কখন রাজহাঁস হয়ে যাই
ইচ্ছে নদীতে তখন মায়াময় অনুভূতি
অন্তঃস্থল কেঁপে কেঁপে ওঠে, অনিকেত সময়

লক্ষ্মীর সাথে সরস্বতীর বিবাদ চিরন্তন
আবার সম্পূর্ণ ফিরে আসাও যায় না
ক্ষুধারঅন্ন ছাড়া বোধিজ্ঞানও অচল
মহা ক্রান্তিকাল চারিদিকে, শূন্যতা অন্তর-বাহিরে
চন্দন চর্চিত পূজার্ঘ্য নিয়ে দাঁড়াই বিগ্রহের সামনে

হৃদয় সিংহাসনে লক্ষীর ঘট স্থাপনা করি
আত্মরতি বিভ্রম ঘটায় চলমান জীবন ছন্দে
যাপনের গ্লানি মুখে এগিয়ে যেতে চাই সমুখে
ত্যাগ ও ভোগের মিলন মধুর রসায়ন
উঠোনে জ্যোৎস্না লোকে দেখি লক্ষীর পদচিহ্ন…

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।