যারা স্বার্থপরের মত চোখ কান নাক বন্ধ করে নিজেদের নীরিহ , সাধারণ সাজিয়ে সুখে থাকতে চায় তাদের মরে যাওয়াই ভালো।
পাশের বাড়ির মানুষ মরে গেলে যারা নিজের ঘরের দরজা বন্ধ রাখে , পাড়ার বারো বছরের মেয়ের ধর্ষণ হলে যারা খিল এটে আলোচনা করে মেয়েটাও ডেপো ছিলো , তাদের বেঘোরে মরে যাওয়াই ভালো।
আসলে নীরিহ , সাধারণ বলে কিছু হয় না , এরাই সমাজের সব চেয়ে বড় বাল। এরা কখনও কোনও লড়াইতে কারো হাত শক্ত করে না। এদের বাড়ির ছেলেরা কখনও পড়শীর বিপদে হাসপাতালে রাত জাগে না। আরেকটি সাধারণ ছেলে আততায়ীর গুলির শিকার হলে এরা রাস্তায় নামে না প্রতিবাদে। কিন্তু নিজের ছেলেটা মারা গেলে মরা কান্না কাঁদে সমাজের সামনে, মিডিয়ার সামনে। চিৎকার করে বলে আমরা তো কারো সাতে পাঁচে থাকিনা, আমরা তো নীরিহ সাধারণ মানুষ । তারপরেও কেনো আমার ছেলেটাকে মারলো ।
আরে কেনো থাকিস না সাতে পাঁচে , আগে সেটা বল ?
কেনো সব অন্যায় দেখে চোখ বন্ধ রাখিস ?
কেনো পাশের বাড়ির ছেলেটার সাথে অন্যায় হলে নিজের ছেলেকে পাঠাস না ওর পাশে দাঁড়িয়ে ওর হাত শক্ত করবার জন্য?
কেনো কেনো
একটা কোরাপ্ট নেতার বিরুদ্ধে আরেকজন কোরাপ্ট নেতাই লড়বে কিন্তু আপনি বা আপনার পরিবারের কেউ না।
কারণ আপনি সাধারণ, নীরিহ হা হা হা
যতদিন না নিজেরা লড়বেন ততদিন আপনাদের বেঘোরে মরে যাওয়াই ভালো।