ফোবিয়া আসলে এক দুর্গ–
যার আড়ালে লুকিয়ে কাঁদে
অসম্ভব অতৃপ্ত এক আত্মা|
২। দূরবীণ
আমাদের দেখা হয়েছিল জলের ধারে|
সেই মূহুর্তে আকাশ থেকে
ঝরে পড়ল একরাশ শব্দ…বর্ণ…|
হাওয়ায় ভেসে এল পাখির পালক|
কস্তুরি গন্ধ নিয়ে চিতল হরিণের দল
ছুটে গেল প্রান্তরের এপার ওপার|
আমরা হাঁটতে হাঁটতে পেরিয়ে
গেলাম অনেকটা পথ এক সাথে|
এখন তৃণভূমি দ্বিধাগ্রস্ত চৈতন্যে…
দূরবীণের লেন্সে ফুটে ওঠে
বৃক্ষে ঝোলানো আমাদের মৃতদেহ….
৩। জল ছুঁয়ে
যে সব গান হারিয়ে গেছে…
তাদের কথা বলতে বলতে
কাঠবাদাম গাছটির মাথা নুইয়ে আসে|
জলের দিকে হেঁটে যায়
যাবতীয় ঘামে ভেজা রুক্ষতা|
তোমাকে জলের মত ভাবি____
আমার জমানো পাথর খন্ডগুলি
ভাসিয়ে নিয়ে যাও তুমি|
টিলার উপর আমার পাতার কুটির
তাকে তুমি ঝালর দিয়ে সাজাও|
ফুল…নদী…পাহাড়ের রূপকথায়
আনমনা হেঁটে গিয়ে দেখি
জল ছুঁয়ে ছুঁয়ে স্থির
বসে আছে এক রমণীগাছ|