খিদে পেলে , কেউ কেউ জোমাটো বা সুইগি তে অর্ডার করে।
কেউ কেউ বাজার থেকে মৌরলা মাছ কিনে আনে।
আবার , কেউ কেউ বাড়ির উঠোনের সজনে শাক দিয়ে
একবেলার খিদে মেটায়।
এই তিন ধরনের মানুষই কবিতা লেখে,
ভালবাসার কবিতা ।
প্রথমজনেরটা প্রকাশিত হয় এলিট এক প্রকাশনা সংস্থা থেকে। আমাজন থেকে অনলাইনে কিনতে পাওয়া যায়।
দ্বিতীয়জনের কবিতা জ্বলজ্বল করে কোন এক লিটল ম্যাগাজিনের তৃতীয় পাতায় ।
সবাই বলে, দেখো, একদিন তুমি অনেক নাম করবে।
না দেখা সেই নাম এর পেছনে মানুষটা ছুটতে থাকে আজীবন ।
সারাজীবন শুধু লিটল ম্যাগাজিন এ লিখতে লিখতে, সে একদিন ওটাকেই ভালবেসে ফেলে।
আর তৃতীয় মানুষটি ? সে লেখে , একান্তে।
কখনো কাঠি দিয়ে মাটিতে আঁচড় কেটে।
কখনো পুকুরের জলে ঢিল মেরে ।
আবার কখনো মেঘের ওপর শুধু হাত ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ।
তার কবিতা কোথাও ছাপা হয় না।
তার কবিতা শোনে কেবল তার ঘরের লক্ষী প্রতিমা।
শোনে আর লজ্জায় রাঙা হয়ে যায়।
উঠোনে চাট্টি লাল শাক এর গাছ পোঁতে।
পাড়ার বাগদি বুড়ি কে বলে আসে, কাল চারটি গুগলি দিয়ে যেও মাসি।
মানুষটাকে একটু আমিষ খাওয়াতে হবে, শরীরটা ভেঙে যাচ্ছে দিন দিন।