T3 || ১লা বৈশাখ || বিশেষ সংখ্যায় মিসবাহ সিদ্দিকি

‘’ বন্ধু আমি কেমন আছি’’
বন্ধু—— ‘আমি কেমন আছি–‘তা তো যানিনা—
চলছি চলতে হবে তাই—-‘দাঁড়াবার যে উপায় নাই-।
বলছি যাহা ‘বলতে হবে- ‘না বললে যে উপোস মরতে হবে !
ভাবছি যাহা ভাবনার নয়-সংসারের কামনার নয়-
তব ভাবতে হয়-আগামীকাল বাঁচার যে চিন্তা হয় ।
বন্ধু–‘ আমি কেমন আছি তা তো জানিনা –
হাসছি’ ‘হাসতে হবে তাই — এই হাসিতে ‘প্রাণের যে ছুঁয়া নাই–
‘মনের ভিতর সব জ্বলে পুড়ে ছাই-।
বলার যাহা-তাহা বলছিনা- ‘যে পথে চলার কথা’
‘সে পথে চলছিনা-ভাবনার দোয়াড় খুলছিনা-
আত্মকেন্দ্রিক হয়ে গেছি তাই ‘কিছুই দেখছিনা-
দেখে ও ‘না দেখার ভান করে দেখিনা -।
বন্ধু—‘আমি কেমন আছি ‘তা তো জানিনা–
এখন আর মানবতার কথা বলি না–
ন্যায়-অন্যায় অত্যাচার অনাচার আর দেখিনা—
‘কারো আর্তনাদ শুনি না ।
বন্ধু সেই দিন আর নেই–সদলবলে যুক্তি দিয়ে তর্ককরা-
—–শোষণ বিরোধী বিপ্লবী নকশালী গল্প করা-বিপ্লবী গান শোনা,
চে’ গুয়েভারা’ চারু মজুমদার -শিরাজ সিকদারের বিপ্লবী গল্প বলা-
– —-সুভাস বসু ‘ মুজিবীয় পরাধীনতার শোষণ বিরোধী ভাষণ শোনা-
নতুন দিগন্তের স্বপ্ন দেখা-পথ শিশুদের কথা বলা-
——-নির্যাতিত মানুষের কথা চিন্তা করা-অন্যায় অত্যাচারের প্রতিবাদ করা,
‘সেই আমিতে ‘আমি আর নেই—।
বন্ধু এখন আর সেদিন নেই, আমি তে আমি নেই–
হুকুমে হাকিম চলে-‘প্রহরীর হাতে হই প্রহর-‘ভয়ে ভয়ে পথ চলি-
নিশিতে নিরবে একাকীত্বের সাথে কথা বলি—।
নিজের জন্য নিজে বাঁচি -একা একা পথ চলি – নিজেকে নিয়েই নিজে থাকি ।
এখন আর খবরের কাগজ’বিপ্লবী উপন্যাস পড়িনা- বিপ্লবী গল্প শুনীনা-
নতুন দিগন্তের স্বপ্ন দেখিনা,
একা একা পথ চলি’ বিবেকের সাথে তর্ক করি’ যুক্তি দিয়ে কাপুরুষত্বকে ঢাকি ,
মনের বেদনা মনের ভীতর চেপে রাখি -মানুষকে এড়িয়ে চলি ।