পেশায় অনুবাদক মৌমিতা পাল
জন্ম ও কর্মসূএ কলকাতাবাসী।
ওনার ছেলেবেলার একাংশ কাটে মালদায়।
তার পর প্রেসিডেন্সী কলেজ থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন প্রথম শ্রেণীতে। মূক ও বধির শিশুদের নিয়ে শিক্ষকতার পাশাপাশি উনি ফুড কলামনিস্টও। অসহায় শিশু ও অবলা পশুদের মাতৃসম আদরে, নীরবে লালন করে চলা মৌমিতার জীবনযাপনের নানাদিক বিচিত্র অভিজ্ঞতা সম্পন্ন। তারই প্রথম মলাট বন্ধ সংস্করণ " দাম্পত্যের রাত্রিজল"।মিলেছে নানান সম্মাননা এই বই এর সূত্রেই।
বৈসর্জন নচেৎ ঔদুম্বরী
শাকান্ন হাতে তুলে নেয় উৎ-সৃজনের অতীত। অনন্ত চক্র থেকে মুক্তি নেই দাবাইকরের। সংগোপনের সত্য জানে – যো ভেজি থি দুয়া। আলগাভাবে বাঁচো কিংবা তখ্ত, তখ্ত ডেকে নিচ্ছে নিজের মনোমতো তাবেদার যুবাদের। তখ্ত ছাড়াও আদিম ঞ মাটিতে একলাই বসে থাকে। জীবন শিখেছে যে তার কাছে নস্যি ভাগ্যলিপি। মৃত্যুর দিকে হামাগুড়ি দিয়ে হেঁটে যাওয়া মানুষের ধূসর শহরে এসেছিল একটাই হলুদ ট্যাক্সি। ঐ যে – যো ভেজি থি দুয়া।
চক্র থেকে কেউ মুক্তি পায় না। তখ্তও নয়। তেরেকেটে বোল তুলে তবলা বাজছে স্বাধীনভাবে। দেহের ভেতর আত্মা, নাহে আত্মার ভেতর দেহটুকুই ছুঁই আমরা। আত্মর আত্মা। তখত্- ছক- তাবেদারী-উমেদারী-গোষ্ঠী-মোহ-সংসার – আত্ম গোল গোল গোল শিখলো তারা। ভূতচৈতন্যবাদের ভূয়োদর্শন এক চুমুকে শেষ করো ভাই। হলুদ ট্যাক্সি কাছে এসে গেছে প্রায়। ঐ যে – যো ভেজি থি দুয়া। বেদের ‘ কীটক’ জনপদ কিংবা ‘নৈচাশাখ’ নামক নগর থেকে আসছে সে ট্যাক্সি। ‘প্রমঙ্গদ ‘ রাজা চালক।সবই জনমরণশীল- অনিত্য।উদ্দালকের ছেলে কুসুরবিন্দু দাঁড়িয়ে থাকবে পথের শেষে। অনিত্যতা থেকেই শিখে নিক সব নিত্যতা।এরপরও যারা তখ্ত নিয়ে ভাববে ,তারা নিত্য নয়।