মার্গে অনন্য সম্মান মধুরিমা মুখোপাধ্যায় রায় (সেরা)

অনন্য সৃষ্টি সাহিত্য পরিবার
সাপ্তাহিক প্রতিযোগিতা নং – ১২২
বিষয় – শ্রীরামকৃষ্ণ
শ্রী রামকৃষ্ণ ভজনম
একই দেহে রাম, একই দেহে কৃষ্ণ,
প্রনমি হে মহামানব শ্রী শ্রী পরমহংস।
জ্ঞান দাও, দাও ভক্তি,
দাও শক্তি, দাও মুক্তি।
অধম মানবের অন্তর কর-
শুদ্ধচিত,দাও শুদ্ধা ভক্তি।
পুণ্য ভূমি কামারপুকুর,
ধন্য করে মাতৃদেবীর কোল,
এসেছিলেন হে পরমাবতার,
গদাধর নামে উঠেছিল শোরগোল।
নিজ স্ত্রী সারদা মাকে করেছিলেন-
ষোড়সী মাতৃকা রূপে পূজা।
ফলহারিণী মাতৃরূপ,
বোঝা কি এতোই সোজা?
ভবতারণী মায়ের আরাধনাতে,
ছিলেন রানী রাসমণি কর্তৃক নিযুক্ত।
মায়ের প্রিয় ছেলে গদাধর বা গদাই,
তাঁর মাহাত্ম্যের সৌরভ দিনে দিনে হয়েছিল পরিব্যাপ্ত।
সহজ সরল গল্পের উপদেশে,
লোক মানসে জ্বলেছিল- জ্ঞানের দীপশিখা।
অনাড়ম্বর জীবনে – মাতৃ ও জনসেবাতে-
ভারতভূমে জ্বলেছিল ভক্তিময় আলোকবর্তিকা।
ভাবশিষ্য বিবেকানন্দের বিবেকবোধকে
করেছিলেন ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ জাগ্রত।
বিদেশের মাটিতেও সর্ব ধর্ম সমন্বয়ের বার্তা,
হয়েছিল সগর্বে উত্থিত।
কল্পতরু হয়ে তিনি,
পূর্ণ করেছিলেন মনোবাঞ্ছা কতো না ভক্তের।
কালী মায়ের প্রিয় পুত্র শ্রীরামকৃষ্ণের চরণে
প্রনাম রইলো এই ভক্তের।।