কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে মুতাকাব্বির মাসুদ

মানো বা না মানো
বুকের ভেতর দহনে-গহনে
রেখেছি তুলে জমাটবাঁধা রক্ত কাননে
যে মুখের আদল
আজো চোখের জলে ভিজিয়ে দেখি
বুকের পাঁজরে তোমার-ই আঁকা
সচিত্র এক করুণ মানচিত্র!
কোনো এক উদ্বেগ উদবাস্তু ভোর
মৃত্তিকার অনাড়ম্বর মেঝেতে লুটানো
বাংলার সংশপ্তক কালজয়ী বিদগ্ধ
একটি রক্তাক্ত মানবিক লাশ
কতিপয় অসুরের বুলেটে এ যেনো
নিদারুণ নিস্তব্ধ সচিত্র প্রতিবেদন
তবুও স্তব্ধ হয়নি তোমার উদ্ধত ঐশ্বরিক
সেই আঙুল- গর্জন
আজো দিগন্তবিস্তৃত তোমার বিক্ষুব্ধ মুক্তির সুর
অনুরণিত হয় মহাকালের দীপ্ত আলোক কণায়
মগজে ঢেউ তুলে বিপন্ন
মানুষের ছায়া
বিনিদ্র- নিপীড়িত মানুষের ঠোঁটে
তোমারই দেয়া
মুক্তির বাণী ‘জয় বাংলা’
নিঃশ্বাসে নিঃশ্বাসে আগুন দহনে
পুষেছি বঙ্গবন্ধু তোমার নাম
নত করে শির যাচ্ঞা করি আবারো ফিরে
এসো তুমি –
কেউ মানুক বা না মানুক
আমার কিচ্ছু – আসে- যায় না
আমি মানবই-তুমি বাঙালি
তুমি জাগ্রত জনতার নেতা
তুমি-ই বাংলাদেশ
তুমি-ই স্বাধীনতা
তুমি অধুনা সোনার বাংলার স্বপ্নদ্রষ্টা
এ বিশ্ব জানে হাজার বছরের
শ্রেষ্ঠ বাঙালি-তুমি
তুমি-ই স্বধীনতার স্থপতি
জাতির পিতা।