নিবাস হুগলি জেলার তারকেশ্বর থানার অন্তর্গত রামনগর গ্রামে।পিতা স্বর্গীয় দুলাল চন্দ্র দাস। মাতা স্বর্গীয়া পুষ্প লতা দাস।
শৈশব থেকেই লিঙ্গ বৈষম্যের শিকার।অভাব-অনটন ছিল নিত্যসঙ্গী।স্নাতক ও প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন সহকারী শিক্ষিকা । সাহিত্যচর্চা , বাগান তৈরি, গান শোনা,বই পড়া কবিতা লেখা আমার শখ ।আমার সকল সাফল্যের পিছনে আমার মা ,দাদা, ছোটদি ও জামাই বাবুর অবদান অনস্বীকার্য। আমার একক ই-বুক হল চেতনার সন্ধানে, অনুকবিতা গুচ্ছ ও জাগরনী।এবং যৌথ মুদ্রিত কাব্যগ্রন্থ শব্দনোলক।
পারিবারিক সম্পর্ক
চার ছয় আট হোতো সন্তান পরিবারে,
একের অধিক থাকতোই সকল পরিবারে।
কাকু জেঠু মাসি পিসি পরিবারের অংশ,
দেবর ননদ জা ভাসুর পারিবারিক বংশ।
এসব শব্দের মাহাত্ম্য অধিক সন্তান হলে,
সম্বোধন আছে পারিবারিক সম্পর্ক বলে ।
দুনিয়া এখন বদলে গেছে দুই এক সন্তানে,
সম্বোধনের মেলেনা ডাক একক সন্তানে।
কাকু বিহীন পরিবারে হয় না কাকিমা,
জেঠু ও না থাকলে আসেনা জেঠিমা।
পিসি যদি থাকতো হতো পিসি মশাই,
মাসি না থাকলেও হয় না মেসোমশাই।
কাকি জেঠি মাসি পিসি বিলুপ্তপ্রায়,
পিসেমশাই মেসোমশাই শোনাও না যায়।
বাস্তবতা হারিয়ে এখন শব্দ রয়েছে কিছু,
আমরা যারা পরিচিত হাতরে চলেছি পিছু।