সাতেপাঁচে আজ মালা মিত্র

অবগাহন
কবিতারা পূর্ণ শষ্যক্ষেত্র
তুলিটি সুরে বেজেছিল।
ভরাট দিঘিটি কি মুগ্ধতায়,
পদ্মবনের গোলাপী আভায়,
গুমোট আকাশে সেদিন কি জানি;
কি ঝরণই না ঝরেছিল।
গর্ভিনী পট,গর্বিনী হৃদ,
দিলবর এত কাছে ছিল?
আলুনো জিভে প্রথম স্বাদ,
নুন কি জিনিস চেখেছিল।
আর ফেরা নেই ডুবে যাওয়া আছে,
অতলে তোমার ওগো প্রিয়,
রত্ন মানিক সাজিয়ে রেখেছ;
কিছু নয় তার ভাগ দিও!!!!!
শেকড় বিস্তৃত হয়
রোজকার রেওয়াজে তুমি নেই,
ধূলোমাখা বীণা একপাশে পড়ে।
ব্রহ্মান্ড জুড়ে সুরঝর্ণা;
তুমি হয়ত বৈচিত্রের সন্ধানে।
খুঁজে পেয়েছ,আনন্দে আছ।
যে বীণা ছুঁয়ে দিলেই মনকাড়া ধুনে বাজছে,
তবু পিনটি ছুঁয়েই আছে গ্রামোফোন।
প্যাঁচার ঘরে ও আনন্দরাত্রি আসে,
চিরহরিৎ স্বপ্নগুলো একসাথে
জ্বলে ওঠে জোনাকী হয়ে।
গাছেরাও সুখের ঘুমে,
কেবল এ মন শেকড় ছড়ায় ;
তাকে আঁকড়াবার।