T3 শারদ সংখ্যা ২০২২ || তব অচিন্ত্য রূপ || বিশেষ সংখ্যায় মনীষা কর বাগচী

অসমাপ্ত গল্প
স্নিগ্ধতা ছড়িয়ে হাসিমুখে চাঁদ গাইল বন্ধনগীত। রাতজাগা পুষ্পদল সুগন্ধে লুটোপুটি। উলুধ্বনি, শঙ্খরব, ধানদূর্বা, আশীর্বাদ। শাখানোয়া। অধিবাস।
সেদিনের কথা যেন…
চকচকে সকাল। পূব আকাশে আগমনীবার্তা। সকলের মুখ ঝলমলে। অনাবিল আনন্দধারা চাদ্দিকে। অদ্ভুত এক সুনামি ডুবিয়ে দিয়ে যাচ্ছে সমস্ত কায়নাত। ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে জন্মজন্মান্তর। হিমালয় থেকে কন্যাকুমারী কে যেন ছড়িয়ে দিয়েছে ভালোবাসা আর ভালোবাসা। উচ্ছসিত ধরা। উচ্ছ্বলিত প্রাণ।
শুভ লগ্নে বেজে উঠল সানাই। শুভ দৃষ্টিতে বেঁধে গেল দুই জোড়া স্বপ্নসাগর। এক আকাশ স্বপ্ন। হাত হল বদল ।
মুখে হাসি চোখে জল। ছুটে গেল একে একে সবকটি প্রিয় হাত। সরে গেল অভয় আঁচল। বুক দুরুদুরু।
সারা বছর বসন্ত। রঙিন পাখা। নীল নীল স্বপ্ন। আদিগন্ত ছাপিয়ে ওড়া। হাস্নাহেনা মাতোয়ারা। মহুয়া বনে প্রজাপতির মিছিল। কেটে গেল কত কবিতা রাত।
দেখতে দেখতে বদলে গেল দিশা। বাঁক ঘুরল । কোথায় যেন হারিয়ে গেল সোনালী ভোর। ফিকে হতে হতে হতে হতে অনুভূতি হীন উদ্দাম তরঙ্গ। এত তাড়াতাড়ি কেঁপে উঠলো হাত? রক্ষা করতে হবে না? তুমি যে কথা দিয়েছিলে!
সুখযাপন সইল না। কেমন অদ্ভুত লাগে তাই না ? তবে অবাক হইনি। জীবনের অলিগলি বেয়ে চলতে চলতে অভিজ্ঞতা অনেক হয়েছে। জানি সবদিন সমান যায় না। তবে তোমর জন্য ভাবি এখনও, চিন্তা হয় খুব ।
কষ্ট হয়। কষ্ট হয় যারপরনাই। বড্ড জলদি ফিকে হল যে রং! বড্ড জলদি….!!