কাব্যানুশীলনে মনীষা কর বাগচী
কথা শোন মা আমার
উঠে দাঁড়া শিড়দাঁড়া সোজা করে
নিজের সম্মাম নিজে করতে শেখ
আত্মসম্মান জাগিয়ে তোল
ওদের সুবিধার্থে ওরা তোকে ইউজ করে
আর করতে দিস না।
ওরা পানপরাগের এড দিতেও তোকে ন্যাংটো ড্রেস পরায়
সিগারেটের এডেও তোকে প্রয়োজন
আর নয়…
তোকে দেখলেই ওদের কাম ভাব জাগ্রত হয়
খোঁজে তোর গোপন অঙ্গ
মেয়ে, মা, স্ত্রী সব গুলিয়ে যায়
স্রেফ একটি নারী শরীর তুই তখন…
ওদের কামনা পিপাসা মেটানোর জন্য একটা মাংস পিন্ড চাই
সে ছ মাসের হোক বা ছ বছরের কি আসে যায়
পাশের বাড়ির যে বাচ্চাটাকে কোলে পিঠে করে মানুষ করেছে একদিন
সেও হতে পারে লালসার শিকার
কষ্ট সহ্য করতে না পারলে চিৎকার করতেও পারবিনা
মুখ চেপে ধরে দুমড়ে মুচড়ে উপভোগ করবে তোকে
একসময় হাত পা অসাড় হবে তোর।
ক্ষণিকের একটু সুখের জন্য তোর ঠোঁট করবে ছিন্নভিন্ন
তোর রক্তে ভিজিয়ে দেবে মায়ের অস্তিত্ব
কেটে দেবে জিভ, জ্বালিয়ে দেবে জীবন্ত শরীর
যে পথে সে এসেছিল পৃথিবীর রূপ রস গন্ধ নিতে
সেখানেই ঢোকাবে লোহার রড, ভাঙা কাঁচ
যদিওবা বেঁচে গেলি
ধর্ষিতার পেটে জন্ম নেবে আর একটা ধর্ষক
ওরা পাগলীর পেটেও বীজ ঢালে
ওরা নির্লজ্জতার শেষ সীমা অতিক্রম করে ফেলেছে…
ওদের জন্য আর নিজেকে মেলে ধরিস না মা, একদম না।