সাপ্তাহিক রম্য সাহিত্যে মন্দিরা হাজরা (বসু) (অন্তিম পর্ব)

বিগত পাঁচমাসের অম্লমধুর স্মৃতি এতই ঘটনাবহূল যে একটি লিখলে অন্যটি ঠোঁট ফুলিয়ে বসে । তবে এতে আপনাদের ধৈর্যচ্যূতির আশঙ্কা থেকে যায় । আপনারা এ রচনা মাঝপথে ” বিন্ ” বন্দী করতে পারেন এ ভয় যে নেই তা নয় , তবে সাথে সাথে এ আশাও মনে জাগে যে আপনারাই কেউ কেউ হয়তো ভাববেন ” এমনটি ঠিক আমিও তো দেখেছিলাম!” এবং শেষ পর্যন্ত সাথে সাথে থাকবেন । “ই” বার্তায় কয় পৃষ্ঠা হবে তা জানিনা , তবে আমার খেরোর খাতায় এর ব্যাপ্তি নিঃসন্দেহে সাতপাতা অতিক্রম করেছে । তাই, আমার “সহপাঠীরা” সবাই হয়ে উঠেছেন আমার “সপ্তপদীর” মিতা । এইটুকুই আমার পাওনা। এরই আশায় শুরুতে বলেছিলাম ” আরম্ভায় শুভায় ভবতু !” আর এরই দাবীতে শেষে একথা প্রাণ বলতে চায় ” চ মধুরেন সমাপয়তে ” !
——o——
পুনঃশ্চ – ঔষধের পার্শসহচর হিসাবে যে মেজারিং কাপ গুলি আমি লাভ করছি , সেগুলি রান্নাঘরের উপকরণ মাপায় দিব্যি কাজে দেয় । ব্যবহার কালীণ ব্যঞ্জনে কোনো স্মৃতিজড়িত অম্ল-মধুর-তিক্ত-কষায় “একষ্ট্রা পাঞ্চ ” যোগ হয় কিনা তা বোধহয় বলা যাবে না ।
এবং অধিকন্তু – এ রচনার বহূলাংশে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ, কবি নজরুল ইসলাম, সুকুমার রায় , কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য , তারাপদ রায় , কঠোপনিষেদ এবং প্রাকৃত চর্যাপদ – এর কিছু কিছু উদ্ধৃতিমূলক সম্যক শব্দ ও পূর্ণবাক্য ব্যবহৃত হয়েছে । এঁদের প্রত্যেকের কাছে লেখিকা কৃতজ্ঞ।