পাক্ষিক প্রতিযোগিতা পর্ব – ৩৫
বিষয় – মাতৃভাষা/বিদেশী ভাষা
মাতৃভাষা
একুশ মানেই রক্তে রাঙ্গা একটি দিন
একুশ মানেই রক্তে ভেজা রাজপথ রঙ্গিন।
একুশ আমার চেতনার সপ্তরথী প্রথম ভালোবাসা
একুশ আমার প্রথম সূর্যের আলো প্রথম ভালোবাসা।
একুশ আমার মায়ের ভাষা আমার প্রথম বুলি
একুশ শিশুর আধো আধো কথা ভোরের পাখির কাকলি।
একুশ মানে ভাটির নদীতে ভাটিয়ালি গান গাওয়া
একুশ মানে শচীন কর্তা আব্বাসউদ্দীনকে ফিরে পাওয়া।
একুশ মানেই একই বৃন্তে দুটি কুসুম মহামিলনের গান
একুশ মানে রবি ঠাকুর নজরুল বাংলায় জাগায় প্রাণ।
সারা বিশ্বে সঙ্গীতময় মধুরতম আমার মাতৃভাষা
যুগ যুগ ধরে অটুট মোদের গরব মোদের আশা।
একুশে সেদিন বুকের রক্ত ঢেলেছিল তাজা প্রাণ
বুলেটের মুখে প্রাণ দিয়ে তারা রেখেছিল মায়ের মান।
কোন দিনই মুছে যাবে না রাজপথে সে রক্তের দাগ
যতই আসুক ফাগুনের দোল বাসন্তিকার ফাগ।
রাখতে মাতৃভাষার মান অকুতোভয় জীবনের বলিদান
রাখেনি কেউ রক্ত স্বাক্ষর নেই কোন অবদান।
একুশ তাই জীবনের গান নিজের করে চাওয়া
একুশ তাই বাংলা তথা বিশ্বভাষার মাতৃত্ব ফিরে পাওয়া।
আমার বাঁচা বাংলা ভাষায় সেইতো আমার অহংকার
রক্তে রাঙ্গা একুশ আসে তাই শপথ নিয়ে বারবার।
অমর শহীদ আব্দুল জব্বার রফিক সালাম
আজ এই স্মরণীয় দিনে তোমাদের জানাই অজুত নিযুত সালাম।