আজ আলো আর অন্ধকারের মাঝে দাঁড়িয়ে আছে সময়ের নির্দেশ।
যেন মহাকালের ঘড়িকে থামিয়ে জিরিয়ে নিতে চাওয়ার মুহূর্ত। সময় আর অসময়ের দুই বাহু ঘড়ির কাঁটা হয়ে মিলিয়ে দিতে চাইছে যাবতীয় অনিয়মের কারিকুরি।
মিলিয়ে দিতে চাইছে সুখ আর দুঃখ নামের নদীখাত।
ভোর আর গোধূলির রং।
গাছের ডালে ডালে বেঁধে দিচ্ছে নিয়মের বীজ।
মোহগর্তে মিলিয়ে যাচ্ছে আয়ুর নির্মাণ ।
নির্ধারিতের সংজ্ঞায় সরলরৈখিক ঘুম।
জীবানু সন্ত্রাসে ছিন্নভিন্ন চাহিদার আকাশ।
মুখ ঢেকে বাঁচা ভিক্ষা করছে জনপদ, গ্রাম, শহর।মিছিল বদলে নিচ্ছে নিজস্ব সংজ্ঞা। বদলে যাচ্ছে রাস্তার অভিমুখ।ব্যক্তি বদলে নিচ্ছে ব্যক্তিত্ব।একার স্লোগানে ডুবে আছে নিজস্ব দেওয়াল।
রাষ্ট্র আর সমাজ গুছিয়ে নেবে রাশিচক্রের নিদান।
আজ জীবনের মানে বইয়ে বাঁচার বিন্যাস নেই.. নেই সীমানায় কোনো কাঁটাতারের ভূগোল। বুকের মানচিত্রে ঝাপসা সীমান্তপথ।সৃষ্টিকর্তা একটা বড় ইরেজার নিয়ে মুছে চলেছে অঙ্কের সমীকরণ।
কথিকায় কোনো আড়ম্বর নেই শুধুই ভাতের অনুশোচনা। পাখির চোখে জমে উঠছে করুণার মেঘ।
অজস্র পায়ের শব্দেও ঘুম ভাঙছে না ভোরের।আবদার নেই শিশুর চোখে।লাজুক চোখের আড়াল ভুলে মুখোশ টেনে নিতে উৎসুক নির্জন দুপুর।
রাতের পদ্যে কোনো অহেতুক অঘটন নেই,অঘোষিত গুমোট আকাশে শুধু ঘোলাটে মেঘের দাপাদাপি। বালিশের তুলো ভারী হচ্ছে কেবল।
চক্রবুহ্যে আটকে আছে বেঁকে যাওয়া মেরুদণ্ড। মেরুগুচ্ছ অগোছালো।
শাদা রুমাল উড়ছে বাতাসে।
নির্ধারিতের নাম লেখা।
কারো আকাশে শুধুই পাখির নাম অথবা ফুলের,কারো হয়তো বা মৃত্যুর!
কে বলে দেবে!