T3 || কোজাগরী || বিশেষ সংখ্যায় মহুয়া দাস

এসো মা লক্ষ্মী
“ত্রৈলোক্য পূজিতে দেবি কমলে বিষ্ণুবল্লভে ।
যথা ত্বং সুস্থিরা কৃষ্ণে তথা ভব ময়ি স্থিরা।।”…
সংসারে শান্তি হেতু পৃথা
লক্ষ্মীপূজা করে।
ধূপ,দীপ, নৈবেদ্য,তাম্বুল
এতে গন্ধপুষ্পে নিবেদন দশাবতারে।
এই ব্রত যে রমণী করে একমনে,
ধনে জনে সুখী হয় সে যে,
এমন কথা তো জানি
লোকমুখে ফেরে।
পৃথা , পৃথা কোথায় তুমি?
জানো তো অফিসট্যুর আছে।
শার্টটা আয়রন করে রাখতে পারতে তো!
সব বলে দিতে হয়?
কবে যে বুদ্ধি হবে?
“বন্দে বিষ্ণুপ্রিয়াং দেবীং দারিদ্র্য-দুঃখ-নাশিনীম্।
ক্ষীরোদপুত্রীং কেশবকান্তাং
বিষ্ণুর্বক্ষো বিলাসিনীম্।।”
ও আচ্ছা, লাঞ্চও রেডি নেই!
ভালো, ভালো।
কোন কর্মে ব্যস্ত শুনি?
আরে , শুনতে পাচ্ছ?
“দ্বাদশৈতানি নামানি লক্ষ্মীং সংপূজ্য যঃ পঠেৎ।
স্থিরা লক্ষ্মী র্ভবেৎতস্য
পুত্রদারাদিভিসহ।”
ধ্যাৎ, চুলোয় যাক
তোমার গুষ্টির পিন্ডি লাঞ্চ,
আমি চললাম।
রাস্তায় প্রচুর খাবার ।
“দোল পূর্ণিমার নিশি নির্মল আকাশ।
মৃদুমন্দ বহিতেছে মলয় বাতাস।।
মলয় পর্বতে বসি লক্ষ্মী নারায়ণ।
করিতেছে নানা কথা সুখে আলাপন।”
“সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে”…
জানিও এ কথা সকল কন্যাগণে।
প্রণয় বেরিয়ে গেছে অফিস ট্যুরে।
পৃথা দরজা ধরে দাঁড়িয়ে থাকে স্থির।
ব্রতকথা শেষে পৃথা
প্রণাম করে।
শঙ্খধ্বনি , উলুধ্বনি
উঠিল ঘরে।
শান্তি,ঐশ্বর্য্য একই গৃহে
বসত করে না কভু।।
এ কথা তুমি জানো
জানে না প্রভু।