ওরে নাতি কাল তোরা করবি কি ?
কেন দাদু জানোই তো ফাঁকা সময়ে টিভি দেখি।
সেকি রে কাল তো বিশ্বকর্মা পুজোর দিন,
সেদিনের সেই ঘুড়ি ওড়ানো , ভোকাট্টা,এসব স্মৃতি আজো অমলিন।
আজকালকার ছেলে তোরা অনেক আনন্দ হারিয়ে গেছে,
ফ্ল্যাট কালচারে কতো কিছুই আজ শুধু স্মৃতিতে আছে।
জানিস নাতি ভাদ্রের এই কড়া রোদে আমরা সুতোয় মান্জা দিতাম,
তার কারনে মায়ের কাছে কতোই না কানমলা খেতাম।
নাওয়া খাওয়া সব ভুলে ঘুড়ি প্রতিযোগিতার কতো তোড়জোড়,
সেই স্বপ্নেই রাত কাটত আনন্দ ছিলো মোদের দোষর।
জানিস ভাই এই পুজোতে প্রান ভরা উচ্ছাস কুড়িয়ে নিতাম,
সারাটা দিন ঐ সাত রঙা ঘুড়ির পেছনে দৌড়ে বেড়াতাম।
আজ তোরা সব ঘরে বন্ধ জীবনে নেই কোনো ছন্দ,
বুঝিস না তাই জীবনের খাতায় কোনটা খুশি কোনটা আনন্দ।
তোদের জীবন যন্ত্রে বাধা বাইরের জগৎ তাই বিরাট ধাঁধা,
বেড়িয়ে আয় ভাই পৃথিবী দেখ মানিস না আর কোনো বাঁধা।
ফুলের বনে ফরিং ধর আকাশে দেখা কত মেঘের দল,
ভয় যদি পাস আমার আঙ্গুল ধর এই ধরাতে এগিয়ে চল।
কাশের বনের শুভ্র সাদা আকাশের ঐ নক্সী কাঁথা,
শিউলি ঝড়া ভোরের সাথে দুর্গা পূজার ঘনঘটা।
আয় নাতি এই বুড়োর সাথে চেনাব তোকে জগৎটাকে,
নেট দুনিয়ায় বাইরে এসে চল্ বরন করবো মোদের মাকে।।