কবিতায় বলরুমে মধুপর্ণা বসু

সুখচর
সব চিহ্ন মুছে দিয়ে স্বচ্ছ কায়া জলের জীবন বহতা নামের ফলকে লেখা হয়েনি।
সমুদ্রকে আমার চিরকাল ভয়, তবুও দেখো
ঢেউ ছুঁয়ে দেয় দুই পা, বুক জলে তোমার
হাত ধরার অপেক্ষা আজও অপটু মাছের সাঁতারের মতো,
তরঙ্গের কারুকাজ বেশ অচেনাই রয়ে গেছে আমার।
সেই মাহেন্দ্রক্ষণ পার করে সন্ধ্যা ঘনিয়ে এসেছে
আমার গুলঞ্চলতার আসনে, জল ভেঙে
তেষ্টার দুচোখ কুল ছাপিয়ে তোমারই মায়ায়
এখনো নির্জন পাহাড়ের পথ ছেড়ে ঝিলের পড়শী হয়ে বুক পেতে রেখেছি ডাহুকের সংসারে।
হয়েতো কিছুটা ভুলই হয়েছে…
সোজাসাপটা তো নয়,
তোমার তেরছা দৃষ্টিতে অনেক ইশারা
অজানাই রেখে গেছো, আমি আজীবন মন ছুঁয়ে খুঁজেছি, কিন্তু কপাল…
মনই ছিলনা তোমার সেই দৃষ্টিতে, আমিও
দিশেহারা,
কস্তুরির সুগন্ধে মাতোয়ারা প্রতিবেশী কৌশলে জ্ঞান দিয়ে গেল;
অপাত্রে বিলিয়ে দিতে আমার জুরি দুর্লভ।
এমন সুখের ধুসর চোরাবালি আমার জন্যেই অলক্ষ্যে পুরস্কার।