দিব্যি কাব্যিতে মণিশংকর বিশ্বাস

আত্মকেন্দ্রিকতা
যারা আমাকে অশিক্ষিত জেনেও
মূর্খতার উদ্ভব ও বিনাশ বিষয়ে তত্ত্ব-তালাশ করতে
আমার কবিতা পড়েছেন
তাঁরাও কিন্তু শেষমেশ হতাশই হয়েছেন
কেননা আখেরে আমার কবিতায়
সবাই দেখেছেন, নিষ্প্রভ এক দোপাটি চারা ছাড়া
আর কিচ্ছু নেই
এমন কী দরিদ্র এই বৈষ্ণবের ক্ষেত্রেও এর ব্যত্যয় ঘটেনি
তিনিও টের পেয়েছেন ছোট্ট গাছটি কী কষ্টে
দু’একটি অনুজ্জ্বল ফুল ফুটিয়েছে—
এখন বেলা পড়ে আসে
বৈষ্ণব দ্রুত পা-চালিয়ে বাড়ি ফিরছেন—
বাড়িতে তাঁর নিত্যসেবার ব্যবস্থা
যে গৃহদেবতাকে তিনি জগতসংসারের অধীশ্বর মানেন —
দরিদ্র মানুষটির হাতের জলবাতাসা না পেলে
তাঁর বালগোপালের প্রাণ যে ওষ্ঠাগত হয়ে আসে!