কবিতায় লিপিকা ডি’কস্টা মণ্ডল

অসময়ের বৃষ্টি

দূরন্ত রৌদ্রের পর আচমকা বৃষ্টি নেমেছিল।
ওম পাওয়া শরীর তখন শয্যার আরাম চাইছিল।
চোখে যখন তন্দ্রার আমেজ… পাতাগুলো জোর করে টেনে
খুলে রাখার চেষ্টা
তখনই…
ঠিক তখনই…
একবার কড় কড় করে বাজের আওয়াজ
ঘুম চটকে গেল!
ইস্
একছাদ কাপড় শুকাতে দেওয়া আছে!!
ছোট্ ছোট্… শেষ সিঁড়িটা টপকে যাওয়ার আগেই
একপ্রান্ত থেকে অপরপ্রান্ত পর্যন্ত বিদ্যুৎলতা আকাশটা
ফালা ফালা করে দিল।
সেকেন্ডের হতভম্বতা কাটিয়ে আমিও তড়িৎ গতিতে নেমে পডলাম ছাদে।
অর্ধেকও হয়নি তোলা।
ঝেঁপে এলো বৃষ্টি!

পায়ে পায়ে তুমি কখন উঠে এলে? টেরও পাইনি।
ভুলে গেলাম বাকি কাপড় তুলতে হবে…
নয়তো নামিয়ে আসতে হবে আধা শুকনোগুলি…
বৃষ্টিস্নাত তোমাকে দেখে বুকে তখন বাজছে ডমরু!
মুহুর্মুহু চমকিছে চপলা!
চঞ্চলা আমার শরীরে রক্তের দাপাদাপি!
অসময়ের বৃষ্টি তারে লাগিয়েছে দোলা
কাপড়গুলো মুষড়ে পড়েছে ভারি
মাতামাতি লাগিয়েছে এরিকা পামে আর নারকেলের
ঝুঁকে যাওয়া শাখে…
তুমি কাছে এলে অছিলায়..

বৃষ্টি গেল কি থেমে??

পামের শীর্ণ পাতা তখন নারকেলের পুরুষ্টু পাতার খাঁজে এক্কেবারে ঘেমে নেয়ে….
আবার বৃষ্টি খোঁজে!!

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।