কবিতায় কথাকলি সোম পারুল

লজ্জা
হেথায় হোথায়, গলির মোড়ে
লজ্জা আর আড় চোখে
সবার চোখে পড়েছে দৃশ্যটা
একটা মেয়ে কুকুর
পেছনে ছেলে কুকুর পাঁচ থেকে সাতটা।
এক বন্ধু একদিন হেসে ফেলে
হাতের কুনুই-এর গুঁতো দিয়ে বলেই দিলে
একেই বলে-
প্রোটেকশন, গার্ড, সোহাগ।
রাত তখন মধ্যে দুপুর
কানে এলো একটা করুণ যন্ত্রণার চিৎকার
গ্যারেজের পেছনে যে ইঁটের বোঝা
তার পেছনে অসহায় মেয়ে কুকুরটা,
কুঁকড়ে আছে কাতরানিতে
প্রোসব যন্ত্রণা।
মোবাইলের টর্চটা চোখে পড়তেই
করুণ চোখ যেন বুঝাতে চায়
সে কতটা অসহায়!
চোখে জল বেপরোয়া
বাঁধ ভেঙে গাল ভাসিয়ে যায়।
হায়, কোথায় সেই কুকুরেরা!
কোথায় সোহাগ, বডি গার্ড!
চোখে ভেসে এলো স্টেশনের পাগলিটা
আধাউলঙ্গ ময়লা, তবু হতে চলেছে মা।
কোন বীজধারীর, সেও মিটাতে পারে খিদা!
এভাবেই কোন আস্তাকুঁড়ে কোন এক সময়
সেও হবে মা,
একা।
আর ঠিক সে সময় দু’চার পেয়ে বীজধারী দোর্দণ্ড
প্রতাপেরা
থাকবে ঘুমিয়ে, নয়তো ঘুরে বেড়াবে
এপাড়া ওপাড়া।