প্রতিপালিত হয় আমার আপন পিত্রালয়ে,
দিন অতিবাহিত হয়,
বছর কেটে যায়,
ঋতু পরিবর্তনের সাথে-
পরিবর্তিত হয় সুভাষের হৃদয়:
মাতৃভূমির মুক্তির স্বপ্ন,
বাসা বাঁধে তাঁর দুই নয়নে।
স্বামীজিকে আপন গুরুর আসনে বসিয়ে,
ব্রতী হন দেশবাসীর সেবায়।
ধীরে ধীরে সেই বীজ,
রূপান্তরিত হয় এক বটবৃক্ষে,
আশ্রয় হয়ে ওঠেন অসংখ্য মানুষের,
নেতাজীর মুকুট ধারণ করে,
সাম্রাজ্যবাদীদের যোগ্য জবাব দেন উনি।
গঠিত করেন নানা দল,
কিন্তু বিধাতার নিষ্ঠুর পরিহাসে,
নিষ্ফল হয় তার সকল প্রয়াস।
তবুও নিভতে দেননি অন্তরের অনল,
শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত,
রেখেছিলেন আপন লড়াই-
অব্যাহত!
১৯৪৫ এক দ্বিপ্রহর,
এক অভিশপ্ত সময়,
দেখা গিয়েছিল শেষ তাঁকে:
তারপর যেন কোথায় মিলিয়ে গেলেন উনি।
কেউ রাখেনি খোঁজ তাঁর,
কেউ বাজায়নি করুণ সুর।
অস্তিমিত সূর্যের ন্যায়,
চিরবিদায় জানান এই ধরিত্রীকে,
সুভাষ আর ফেরেনি ঘরে।
তবুও এই মনের দরজা,
থাকবে চিরকাল উন্মোচিত,
যদি ফিরে আসেন তিনি কোনদিনও,
উদিত হবে এক নতুন সূর্য,
স্বাধীন ভারতে যা যাবে না কোনদিনও-
অস্থাচলে!!