প্রবাসী মেলবন্ধনে কল্লোল নন্দী (আটলান্টা) (পর্ব – ১৯)

দৈনন্দিন

মুরালি চা খেতে খেতে পার্থকে জিজ্ঞাসা করল, কয়েকদিন ধরে তোমাকে এত মন মরা দেখছি। কি হয়েছে?
পার্থ বলল, আর বোলোনা। আফিসে নতুন বস এসেই ওয়ার্ক ফ্রম হোম বন্ধ করে দিল। এদিকে সেই অনুযায়ী আমার সব প্ল্যান করা আছে সামনের সপ্তাহে। এখন কি করি। তাই ভাবছি।
মুরালি বলল, খুব সহজ। কোভিডে আক্রান্ত হয়ে যাও।
পার্থ আঁতকে উঠল। বলল, মানে?
– আহা। সত্যি সত্যি কোভিডের ছ্যাকা নিতে বলছি নাকি? Just on certificate.
– কি বলছ তুমি?
মুরালি বলল, ভাবখানা এমন করছ যেন ভাজা মাছটা তুমি উল্টে খেতে জানো না। আরে ফর্ম ফিলাপের সময়ে বলে দিও, সবকিছুরই একটা পজিটিভ দিক আছে, তাই না? আর তার সাথে ২০০ টাকা বেশী দিয়ে, চুপ চাপ ওখান থেকে চলে এস। ব্যাস। সমাঝদার কে লিয়ে ইশারা হি কাফি হ্যায়। ভাষাটা তোমরা ঠিক এখনো শিখলে না।
এই শুনে পার্থ ভ্যাবলার মত তাকিয়ে আছে।
মুরালি চায়ে এক চুমুক দিয়ে বলল, সকালে ফর্ম ফিলাপ, আর টাকা জমা। বিকালে সার্টিফিকেট। সন্ধায় অফিসে জানাও। ঊফফ! এর পরেও কি সব বলে দিতে হবে?

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।