T3 || সমবেত চিৎকার || বিশেষ সংখ্যায় কর্ণধর মণ্ডল

সবাই পা চাটা গোলাম
কোথায় গেলো বুদ্ধিজীবী?
যারা পরের ঘরের খবর নিয়ে করতো ঘেউ ঘেউ,
আজ যখন নিজের ঘরে- আর. জি. কর-এ
মরলো একটি নিষ্পাপ মেয়ে,
কেন নীরব? টনক নাড়ছে না গাণ্ডু গুলো কেউ?
রঙের বিভেদ না খুঁজে সব
ন্যায়ের কথা বলতে শেখো,
স্বার্থে যারা স্বজন হারা ছন্নছাড়া
এই সমাজে তারাই কেবল শুধুই রক্ত খেকো।
দোষ যেটা সেটাই দোষের
হোক না সে, ঘরে কিংবা পরের!
চিৎকার করে বলতে শেখো।
সমাজটা জানবে মানুষের জন্য!
সেটা নয় কোন! অমানুষ কিংবা জানোয়ারের,
যে মেয়েটার বুকের মাঝে ভাবনা ছিলো,
আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন ছিলো!
এক নিমিষেই স্তব্ধ করলো হিংস্র জানোয়ারের থাবা,
সর্ষের মধ্যে ভূত থাকে,
বোঝেন শুধু তান্ত্রিক ওঝা!
রাজনীতির বিষাক্ত ছোবলে…..
ক্ষুদ্র, তুচ্ছ, সহজ, সরল প্রাণ পাচ্ছে সাজা।
লাশ পড়ে- লাশ কাটা ঘরে,
আসল তথ্য প্রমাণ করতে লোপাট-
ভীষণ ব্যস্ত…..
রাজনৈতিক মহল জুড়ে- স্থানান্তরে!
মরছে এভাবে শত শত ফুলেল প্রাণ,
কমছে দেশে, বাবা মায়ের কোলের সন্তান।
মোমবাতির মৌনমিছিল,
কবে সে সব গেছে নিভে!
বুদ্ধিজীবী এখন পা চাটতে ব্যস্ত-
কমছে না তবুও স্বার্থ খিদে।
নিপাত যাক, যতো স্বার্থলোভী বিবেক অন্ধ-
যতো নির্বোধ কুষমাণ্ড,
ভণ্ড সেজে করছে শোষণ তোষন!
শিক্ষা, সংস্কৃতি, চেতনা নামক অমৃত ভান্ড।