হে মৃত্যু-বিভীষিকা,
তোমাকেও ভীত সন্ত্রস্ত হতে দেখেছি আজকের এই এক মুহূর্তে
হাজারো ভিড়ের মাঝে,নির্জনতার অন্ধকারে,পৃথিবীর বুকে তারাদের খসে পড়ার আর্তনাদে–
আর সেই কবেকার সুপরিচিতার চওড়া কপালে রক্তিম বর্ণে…..
যে অতীত সময় কেটে গেছে প্রায় স্বয়ংসৃষ্ট যুদ্ধে তুমিই তো সূর্যসম অগ্নিশিখা
হে বীরাঙ্গনা…
তোমার চোখের স্থির শান্ত দৃষ্টিতে দেখেছি কত ক্ষত বিক্ষত সময়ের প্রবল বেদনার্তনাদ;
আর কত-শত কিশোরী মেয়ে আজও হিসেব কষে রঙিন পেয়ালায় জীবনের জটিল বীজগণিতের।
আজকের এই এক মুহূর্তে জীবন-মৃত্যু,প্রেমিক-পুরুষ,নীলাম্বরী আকাশে নীলিমার নীল স্রোত
আর তোমার গর্ভস্থ সেই রক্তিম স্রোতে তোমারই নবরূপে নবজন্ম…
অতঃপর রাতের অন্ধকারে জ্বলন্ত নক্ষত্ররা সর্বাঙ্গ থেকে ঝরে পড়া বিন্দু বিন্দু আগুন দিয়ে লিখে চলেঃ–
“হাজার বছর ধ’রে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে…”