হৈচৈ কবিতায় কিংকর দাস

দ্বন্দ্ব সমাস

ঘুঘুরা বাসা বেঁধেছে আমারই ভিটায়
আমি অনুভব করি স্বপ্নের গভীরে
এক সনাতন জুজু ক্রমাগত চরে বেড়ায়
সারাক্ষন ধরে আমার ভিতর ভিতরে।
ঘরের যে কুঠরিতে থাকি‚তার
কোনো দরজা নেই– জানালাও নেই–
চারপাশ জুড়ে শুধু– শুধুই দেওয়াল।
আর– নুনে খাওয়া পলস্তরা খসা

জরাজীর্ণ সেই দেওয়ালে–
কীসব যেন লিখে রেখেছে কারা।

গূঢ় সান্ধ্যক্ষরে লেখা সেই অজ্ঞেয় লিপি
পড়ে উঠতে পারিনা আমি‚
তার খাপছাড়া রূপ ধরতে পারি না।
তাই কুপি জ্বেলে নেমে পড়ি খাঁচার ভিতরে–
অপরিচিত লিপির পাঠোদ্ধারে ।
ধরা দেয় না লিপি পাখিরা– তাদের পাখশাটে
নখের আঁচড়ে ক্ষতবিক্ষত হই আমি– রক্তাক্ত হই।
তবুও পাখিরা থাকে অধরা
আরো খসে খসে পড়ে শব্দদ্রুম দেওয়াল
অচিন সে ঘর–
নিশিদিন ঘুঘুরা বিবাদ করে চলে পরস্পর।
ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।