রাস্তাটা ছিলো এজরা স্ট্রিট,
একদিকে গাঙ্গুলি দের পাখার দোকান, অন্যদিকে পোদ্দার কোর্ট, রবীন্দ্র জলপান!
সেখানে আমার নিত্য যাওযা় আসা, হয়তো জীবিকার তাগিদে, বা কিছুটা মনের প্রাণ সঞ্চারনে! আমি ভালবাসি কলকাতা! ভীড় ঘামে ভেজা শরীরে ছুটে বেড়িয়ে আমি প্রাণ খুঁজে পাই! সে আমার কল্লোলীনী কলকাতা!
হটাত একদিন, মোড়ের মাথায় এক নবপত্রীকার জন্ম হলো!
আনন্দে নেচে উঠলো মন!
আমি ছুঁয়ে দেখলাম.
অনেক কুলি ভাইয়েরা ওখানে রোদ্দুরে একটু জিরিয়ে নিত.
কেউ কেউ সারতো দুপুরের খাবার! গামছায় ছাতু ঢেলে পিয়াজ কাঁচা লঙ্কা দিয়ে!
আমিও আমার ক্লান্ত শরীরটাকে একটু হেলান দিতাম দোকানগুলো র দেয়ালে!
সামনে একটা ফলের রস বিক্রি করতো! তাকিয়ে দেখতাম!
বিলাসী মানুষের দল ভীড় জমাত!
ভৈযা রা বলত বসতে, একটু ইটে পিছন ঠেকান, এই আর কি!
একদিন সেই শিশু মহীরুহ হয়ে সবাইকে ছায়া দিতে লাগলো!
কতো পাখি তাঁদের আস্তানা খুঁজে পেলো! আমরা তার ছায়ায় স্নিগ্ধ বাতাসে গা জুরাতে লাগলাম! আঃ! কি শান্তি!
একদিন ঝড়ে একটা ডাল ভেঙে গেলো! মনে হলো কি হারালাম!
আবার নব পল্লবে ছেয়ে গেলো চারিদিক।
জড় হলো আবার জীবন ও জীবিকা সন্ধানী মানুষের দল,
শান্তি পেতে সেই একটুকরো গাছের তলে!