গদ্য কবিতায় জয়া ঘোষ

পাথরের মূর্তি হয়ে যাবো
বহুবার কোথাও যাবো বলেও যাওয়া হয়না আমার
জীবনের লোভ বড়…
এ গ্রহে তোমাকে দেখার লোভ, অনুভবেরও…
এমনকি শেষ পারানির খেয়া ও ডেকে গেছে কতবার… যাওয়া হয়নি।
একান্ত যত্নের, বড় আদরের প্রেম…
বৈষ্ণবীর ভিক্ষাপাত্রের মত পথে পথে টুকরো টুকরো হয়ে গেছে
তার ভেতর সব আস্তিনের সাপ বাসা বেঁধেছিলো
এ নদীতে স্নানস্নিগ্ধ হয়ে সুখী রাজপুত্র ছেড়ে গেছে বসন ভূষণ এবং ব্রহ্মতালু থেকে নখপর্যন্ত খোলসও
আমি সেইসব বহু মূল্যবান সম্পদ বুকের ভেতর আগলে রেখেছি।
তাঁর গোপন গন্ধ, গোপন রন্ধ্র তাঁর বুকের পরশ,
সুমধুর প্রেম, প্রতিশ্রুতি, সহস্র কথালাপ, বোধির আলো এবং যাবতীয় যা কিছু আনাচ কানাচ।
….সব লাল শালুতে জড়িয়ে রেখে এসেছি জীবন্ত এক মন্দিরের পাথরের মূর্তির পায়ে।
যদি একবার মানত ফলে যায়
যদি একবার সুখী রাজকুমারীর জন্ম পাই
এইসব সম্পদ আমার সুখের ঘরে বিরাজ করবে।
আমিও সেদিন স্পন্দনহীন পাথরের মূর্তি হয়ে যাবো।