অন্ধকার টানেলের ভেতরে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে গাড়িটি,
ওপারেও কি আর একটি টানেল আছে! যার শেষ হতেই আরেকটি রুদ্ধশ্বাস বাড়ি ফেরার..
সাঁকোটা দুলছে, ওর ভয়ার্ত গলায় মানুষের কব্জি, শেকলের ভাঙা কন্ঠস্বর –
ঠ্যাঙগুলো জড়সড় করে জিরাফেরা নদীর জলে দেখতে পাচ্ছে রেড ওয়াইনের কাঁপা স্রোত,
কিন্নরীদলের ঠোঁটে বেহমির উগ্র সৌন্দর্যে কৈলাস যাচ্ছে গলে..
গলনাঙ্কের তোয়াক্কা না করে দূরের লাইটহাউসগুলো প্রভুত্ব চাইলো জোনাকির কাছে!
“হেইইইই রুবাই মিঁয়া ট্রলার থেকে যদি রূপালি মাছ বাজারে যায়, অন্ধকারে তোকেই চুবিয়ে নেবো..
গ্যালিলিও চিৎকার করে বলে উঠলো ঠিক ঠিক…
অন্ধকার সবসময় অকাট্য যুক্তি কেড়ে দাঁড় করায় দুষ্টের কাঠগড়ায় –
ম্যামথের ক্ষুদ্র চোখ সৃষ্টিতে কতটা জীবন্ত?
জগৎ সত্য…..যেদিন হলুদ পৃষ্ঠা আরো উজ্জ্বল হলো!
চাপা পড়া হিমাঙ্কের দাগে প্রমাণিত- কেন্দ্র বরাবর ক্রুশ বিঁধিয়ে
রেখেছিলো-