আজ আর কিছুমাত্র সামনে নেই, নেই ভাবনা জুড়ে,
ফুরিয়ে আসছে নিঃশ্বাস চেতনার মলিন সুরে,
মননের ভেতর মন যখন ভার হয়ে আসে
আকাশ নিঃসাড় হয়ে খন্ড খন্ড আমিকে ভালোবাসে।
ঘুম নেই কেবল তন্দ্রা জড়ানো চোখে,
পরিব্রাজকের ছন্দে গান বাজে অজানা কোনো শোকে,
আজ আর আসেনা কোন স্বপ্নমূর্তি পলক বুজে এলে,
কি হবে দূরায়ত স্বর আবার মুছে গেলে?
তিনি ছড়িয়ে দিয়েছেন কৃপার বাতাস সকলেরই তরে,
আমিও ভাবি না আর মুছে যাই যদি জ্বরে
মিটিয়ে দিয়েছি দুহাতে জমানো ঋণ ভার
মূহুর্তের শেষে শূন্য ঘর তখন কে আর কার?
কে যেন ডাকে বাইরে থেকে খুঁজেছি চেনা স্বর,
আদ্যোপান্ত জেনেও তুমি প্রশ্ন কর,আমার প্রশ্নের ঝর?
আজ আমার মন সন্ন্যাসে, আমার মন ঘূর্ণিটানে
প্রতিদিন জীবন দেখায় জীবন বাঁচার মানে।।
দুনিয়াদারী
কবিতায় অনেক হলো শোনো এ বাণী,
বুকে আজ জমে থাকে আগুন ভরা জল
এবার শরীরে দাও অনেক হয়েছে জানি
যে কল্পনা লতা রক্তে জীবন কাটায় চেনো তাকে?
জীবন জীবনব্যাপী দশ দিকে হেরাফেরী
নীলাচলে সহস্রবার কুড়োবে তারিফ পথের আকে বাঁকে
টুকরো টুকরো তামাশা বিঁধে আছে কবিতায়
পথ নেই রাস্তা নেই সব যেনো দম দেওয়া পুতুল
পরমুখাপেক্ষী দিন সম্পর্ক সব রক্তের যবনিকায়
কালো সূত্রপাত রাতের কড়া নাড়া
ঘুম পেয়ে যায় শুধু ঘুম পেয়ে যায়
হয়তো প্রকাশ্যে নয় প্রেমে তবু সরিয়ে রাখা হাতপাতা
দুপুরে যে হাওয়া দেয়নি তাতেই দোলে জীর্ণ ধার দেনা
দানের ই মকুবের দিন যায় একটা একটা করে দিন
কাচের চুড়ি টুকরো টুকরো হয়ে ভাঙে কবেকার কেনা
দিন চলে যায় অমানী অক্রোধী বিশ্রাম চায় অবশেষে
যে হাওয়া দেবে না কোনদিন অপ্রবাসী ভাড়ার বাড়িতে
তার কাছে পৌঁছতে চেয়ে আলস্য দিগন্তে এসে মেশে
একথা সত্যি প্রেম আসে গরীবের ভাঙা বাড়ি ঘেঁষে।।