তোমায় অনেক দিনের ইচ্ছে ছিল আদর করার
গ্রীষ্মে গরম ঠোঁটে বর্ষা চুমু(ক) দি’ই তাহলে
বছরে বৈশাখে আর শ্রাবণে পায়ের ধুলো ছাড়া
তেমন জড়িয়ে ধরার সুযোগ তুমি কোথায় দিলে।
তোমাকে পাই মায়ের খোলা গলায় গানে গানে
তাও যেমন-তেমন যখন-তখন সময়ে নয়,
সন্ধ্যের অন্ধকারে ঘনিয়ে-আসা সে-ই গোধূলি লগ্নে
যখন বাড়ী ফিরে মা স্নান ঘরে গিয়ে শুদ্ধ হয়।
তোমাকে কখনো পাই সমুদ্রে বা কষ্টি পাথরে
বৃষ্টি-খরায়, ফুলে-ফলে, আর বটের ছায়ায়
শরত হেমন্তে যখন কাশের বনে শিশির ঝরে
সবাই বলে ওই আসছে ঠাকুর পাড়ায় পাড়ায়।
তোমার বিষণ্ণ গান করে তোলে স্ব-বিরোধী
হলুদ অমলতাসে,……… ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি ঝরে
রঙিন কাঁকরগুলি হাঁ করে দেখে ধুলোর আঁধি
অন্ধকারে গান ভেসে যায়, “ তুই ফেলে এসেছিস কারে”…
তোমার প্রাণের গানে কান্না যখন আমায় ডাকে,
গানের কথা আর সুর মিলেমিশে যায় নিমেষে
দুঃখ-কষ্টকে ভাগ করার যদি কেউ না থাকে
জানি প্রাণের ঠাকুর রবিঠাকুর ঠিক থাকবে পাশে।