কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে ইব্রাহিম সিকদার

আর দেখা হবে না
তোমার সাথে আমার আর দেখা হবে না।
আসলে আমি চাই না দেখা হোক।
তোমরা জিজ্ঞেস করবে তুমিতো ভালোবেসে ছিলে
তবে কেন দেখা পেতে চাও না।
আমি বললো, ভালোবাসা আমি বুঝি কিন্তু সে বুঝেনা,
আমি প্রেম খুঁজি কিন্তু সে খুঁজে না।
একটা সময় তাঁকে দেখতে সে কি পাগলামি,
কোথা থেকে, কোথায় কোথায় গিয়েছি !
আঁধারে ভয় ছিলো না ; ছিলো না সংশয় আগুনের পথে পা বাড়াবার !
কতো নিদ্রা পাশ কাটিয়ে জেগে জেগে কল্পনায় হারিয়ে গিয়েছি কল্পরাজ্যে তাঁহাকে দেখার পিপাসায়।
কতো অশান্ত সময় তড়পাতে তড়পাতে কষ্টে কাটিয়ে দিয়েছি তাঁহার পায়ের নূপুরের শব্দ শোনবো বলে।
কখনো কখনো তাহার ভুলে, অভিমানে চলে গিয়েছি
অনেকদূর… বহুদূর।
আবার নিজের চেতনায় ফিরে এসেছি প্রিয়তমার খোঁপায় বেলি ফুলের মালা পড়িয়ে দিবো বলে।
তাঁহার রূপের স্নিগ্ধতা আর মিষ্টি হাসির প্রেমে
ডুবে ডুবে মরিবার ইচ্ছা ছিলো প্রতিবার।
এতো গভীরতর ভালোবাসা এতো প্রাধান্যতা এসব ছিলো শুধু আমার একান্ত একপেশে প্রেমের গল্পকথা।
একদিন খুব ভোরে তাঁহার কোমল হাত ধরে
হারিয়ে যাবার কথা ছিলো।
প্রেমের পরিণতির দিকে এগিয়ে গিয়ে আমি ছিলাম আনন্দে আত্মহারা আর সে আমাকে দেয়া কথা, কথার কথা বানিয়ে হারিয়ে গিয়েছে অন্য কোন নতুন ধারায়।
আজ অনেকটা পথ পেড়িয়ে বুকের রক্তগঙ্গা সরিয়ে যেই একটু শান্ত হয়েছি ঠিক তখনি সে আমাদের দেখা হবার প্রার্থনা শোনাচ্ছে !
আর আমি খুব শান্ত থেকেই তাঁকে জানিয়ে দিলাম আমাদের আর দেখা হবে না, এ জীবনে এমনকি মরণের পরেও !