কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে ইব্রাহিম সিকদার

চিরায়ত খেলা

জীবন কী কখনো পরিপূর্ণ গুছানো হয় ?
যেমন গুছিয়ে বলা যায় রূপকথার কল্প্য গল্প।
উদয়ন যেমন নতুন বার্তা বহন করে তেমন
অস্ত নতুন মুছে বক্ষে ঢের ব্যথা ঢালে !
মায়ার আয়না ভেঙে ঐশ্বর্যের ঝলকানি ফেলে
অনিবার্য ডাকে আবীর ভরা তৃপ্ত আলো রেখে
কঠিন ছলে প্রণেতার ইশারায় অবিচল নিঃশব্দে খুব কাছে গিয়ে ক্ষণ বীণা বাজিয়ে নিয়ে যায়
তলে আরো গভীর নিদ্রা নলে
যেখানে জাগানিয়া গান পারেনা জাগাতে !
সময় তাঁর অনুকূলে, না প্রবাহিত উল্টো পটে
সে হিসার কষে ঋতু বৈচিত্র্যে ঘনঘটা অন্ধকার
কখন নামবে সেটা আগাম কে জানে !
রঙ বাহারি পাখি শূন্যেধাবন বিস্তৃত গগন পানে
সে পুরো এক মহা প্রকাণ্ড রাজ্য তাঁর মনে করে
শুধু উড়ে তবুও তাঁর একদিন মৃত্তিকায় পা রাখতে হয়
অন্ত দিবস বা অনুসার ভিন্ন কোন আচারে !
নদী বয়ে চলে আনন্দ ধারায় আবার ভাটায় তাঁর বুকে চড় পড়ে সে চড়ে বালুর উপর উত্তপ্ত সূর্য এসে কিছু সময় উত্ত্যক্ত করে তাঁকে,
সেও সয়ে যায় বিধির বিধানে।
আমার দুরন্তপনা চিন্তা সৃষ্টি নেশায় একদিন
ঘর থেকে বাহিরে এসে আর ফিরতে চাইনি ঘরে,
লণ্ঠন জ্বালিয়ে হিসেবের খাতা পুড়িয়ে আগ্নেয়গিরি
হাতে তুলে হাঁটতে হাঁটতে কিছু সুখ বাটতে বাটতে
রাত্রি শেষে ভোরের আলো নিয়ে
এগিয়ে গিয়েছি সাম্যের পথে।
তদনন্তর অদ্য ঘর কুনো এক স্বপ্ন নুয়া মানুষ আমি, এটাই জীবন এটাই জীবনের চিরায়ত খেলা।
ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।