আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে
কি দেখলি
মুখ না মুখোশ ?
মনটা তো পচে গেছে
মুখোশ ছাড়া কিছুই দেখবি না চোখে !
সদ্য ভ্রুণ পিষ্ট হয়েছে তোর পায়ের তলে !
নিশাচর কিছু বাঁদর তোকে খুঁজছে
হন্নে হয়ে রাতের আঁধারে !
মিথ্যের গহ্বরে কতোবার লোকাবি,
ধরা তোকে পড়তেই হবে।
ইতিহাস সাক্ষী তোর বংশধর
ভূতলশায়ী হয়েছে অনিষ্ট করার
কিছুদিন পরে
বা সূর্য অস্ত যাবার
কিছুক্ষণ আগে !
তুই ও পড়বি ধরা,
বজ্রপাতের মতো আগুনের থোপা
তোর গায়ে মারবে, চিৎকার করবি
বাঁচাও বাঁচাও বলে !
সেদিন কেউ থাকবেনা তোর পাশে।
নরকের যন্ত্রণায় ভাসিয়ে
সব চাওয়া না পাওয়া করে
মুক্ত পাখিকে করেছিলি খাঁচায় বন্দি,
ছটফট করে কাতরাতে কাতরাতে
অভিশাপ দিয়েছে তোকে !
ভাবিস না পাড় পেয়ে যাবি,
এইতো আর কয়টা দিন
অথবা কয়টা মাস
নতুবা কয়টা বছর।
ধরা তোকে পড়তেই হবে।
কেউ কেউ একবার অন্ধকার
আবার আলোর সাথে
সন্ধি করে কাটিয়েছে অনেকটা সময়
তবে বিদায় কালে সাথে
নিয়ে গিয়েছে কিছু বাসি ফুলের মালা
আর থালা ভর্তি ঘৃণার পাত্রটাকে !
এখানেই শেষ নয়
ধরা তোকে পড়তেই হবে এপারে
পুনর্বার মহা প্রণেতার কাছে।