সম্পাদকীয়

 

সুয্যিদেব চোখ পাকিয়ে ধমক দিয়েছেন । ব্যাস ধমক দিয়েই উঠে পড়েছেন মাঝ আকাশে । সব আশিকি তখন ল্যাজ গুটিয়ে দে দৌড় ।
কৃষ্ণচূড়া শুধু আরও লাল, আরও গ্রাম্ভারী, হয়ে বলে ‘জানা আছে, ওই উচাটন দুদিন বৈ তো নয় ।’ এই ভেবে সে তাঁর লাল রঙ আরও গাঢ় করাতে মন দেন । রাধাচূড়ার বাপু অত দেমাক নেই, সে মনের সুখে বাসন্তী কার্পেট বিছিয়ে চলে এ শহরের রাস্তায়, অলিগলিতে । বেল, জুঁইরা আরও সহজ । সুয্যিদেব পাটে বসলেই তাঁরা সকলে মিলে সৌরভ উপুর করে হাওয়ায়, হাওয়ায় । সুয্যিদেব যতক্ষন চোখ রাঙাচ্ছেন তাঁরা একেবারে চুপটি করে থাকে । লতানে জুঁইয়ের অবশ্য কনফিডেন্স আলাদা । মেধাবী, দামাল সে । দুপুর দুটোয় সে সৌরভের প্রাচূর্য্য ঢেলে দেওয়ার হিম্মত রাখে ।
এসব কি একটুও দেখতে ভালো লাগে না ?
গাছের উপর রাগ করে শুধু তাঁকে হত্যা করলে যে মরুশ্বাসের লকলকে জিভের মোকাবিলা করতেই হবে যে ।

ইন্দ্রাণী ঘোষ

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।