সম্পাদকীয়

জৈষ্ঠ্যের সকাল। সকালকেও ঘোমটা ঢাকা নতুন বউয়ের মতো শান্ত বলা যায় না। প্রচণ্ড গরমের রেশ রাত ও সকাল কখনোই যেন কমছে না। তবু এরই মধ্যে অনেক স্মৃতি ডুব সাঁতার দিয়ে ওঠে। ছেলেবেলাকার ঝড়-বৃষ্টির বিকাল, আম কুড়ানো, জাম গাছের ডালে বসে পাখির সঙ্গে শিস বাজানো- একটু নিভৃতে থাকলেই এসব চঞ্চল ছেলেবেলা মনে পড়ে। তারপর কত আত্মীয়-অনাত্মীয় চলে গেল, কত পুরোনো বইয়ে নতুন বুকমার্ক রাখা হবে। তবু লেখা হবে দাবদাহের কথা, ধান ফুলের ঘ্রাণ, লেখা হবে সহেলীদিদির বাড়ির কানাচের জ্যোৎস্না।
খুব ইচ্ছা ছিল এই সংখ্যাকে এমন নস্টালজিয়ায় আক্রান্ত করব। কিন্তু অসুস্থ শরীর তা করতে দেয়নি। সবার কাছে মার্জনা চেয়ে আগামী সংখ্যায় চমকের লোভ দেখিয়ে এখানেই ইতি টানছি।
হৃদয় মালাকার