।। ত্রিতাপহারিণী ২০২০।। T3 শারদ সংখ্যায় হরেকৃষ্ণ দে

খাবার
কবিতাটাকে খাবার ভেবে খেয়ে নিয়েছিল যে মাকরসাটা
সারাদিন সেই কবিতা নিঃসৃত হয়েছিল চারা বাবলার কচি কাঁটাঅলা শাখায়
কবিতার ঝুলে ঢাকা বাবলার আঁঠায়
জড়িয়ে পড়েছিল আয়ুর্বেদ সময়
এক একটা অক্ষরের ছিটকানি খুলতে খুলতে
মাকড়সার পায়ে মুদ্রিত শব্দের পিঁপড়েরা খাদ্য ভেবে সঞ্চয় করছিল মুখে মুখে টুকরো টুকরো উচ্চারণের গ্রীষ্ম
লক্ষণ গণ্ডীরেখা চকের বৃত্ত অসহায় ব্যারিকেটের মত তাকিয়ে আছে সারি সারি
কবিতা কনার সঞ্চয় দৃশ্যে
দুর্গা দুর্গতি নাশিনী
বাঙালির আনন্দে কামড় বসানো অদৃশ্য ভয়
সারি সারি চিন্তাগ্রস্থ শ্রমিক আর মধ্যবিত্ত
চুপসে যাওয়া বুকের ছাতি
অক্ষম মনোবলের কোমর
পরিযায়ী দুর্দশার জালে থেমে আছে পুজোর আনন্দ
এবার নতুন পোশাক বলতে আবশ্যিক মাক্স
আর সমাজিক দূরত্বে মনমরা সব আড়ম্বর
ছতিছন্ন রোদে ফেঁটে গ্যাছে জীবনের নৈমিত্তিক রোশনাই
সংক্রমণের বাজি তুবড়িতে
আইসোলেশন থিম
সক্রিয় ডান হাত গালের সিঁড়ি বেয়ে উঠছে নামছে দরিদ্র বাঙালি
তবুও অন্তরের আন্তরিক আয়োজনে
দুধে ভাতে রাখার সামর্থ্য খুঁজে নিতে পূজামণ্ডপে
আনত মাথায় পুষ্পাঞ্জলি
“দুর্গা দুর্গতি নাশিনী “৷