ধ্রপদী কবিতায় হীরক বন্দ্যোপাধ্যায়

৫| নীলাভ ধূসর

বহুদিন অন্ধকারে ছিলাম এখন আলোয় এসে দেখি শ্রেণীহীন রাষ্ট্রহীন আলো পৃথিবীর এক দেশ
এক আকাশ , আমার যে কী আনন্দ হচ্ছে
বোঝাতে পারব না
তাহলে সব মুখই এখনো মুখোশ হয়ে যায়নি, সুলতা …..
কবরস্থানে ও ঘন্টা বাজছে
মন্দির মসজিদ সব হসপিটাল আর নার্সিং হোম
একদিন ভেবেছিলাম এ ঘর আমার নয়
তাই বিশ্বভ্রমণে , মানুষের পাশাপাশি
বাসযোগ্যতার কথা ভেবে
নীলাভ ধূসর
বহু দিন অন্ধকারে ছিলাম এবার আলোয় এসে
বহির্জগতের কোনো কিছুই তেমন
ভালো লাগছে না
উপমার মৃত্যু হলে যেমন কবিতার গা থেকে গয়না ঝরে যায়, যে যার নিজের মতো
পা ফেলে চলে যায় জীবনের দিকে …

৬| চেনা অচেনা

সবাই চেনা তবুও অচেনা ঠেকছে আজ
ফলতঃ অপটু হাত সুলতার হাতে
শিশিরে তৃষ্ণা মেটে না
জেনে দীর্ঘ জলাশয় খুঁজে মরেছি
সমস্ত সন্ধ্যা আর আমি যাযাবর পাখি
নি:শব্দে আকাশে
লেগে সময়ের ফেনা , বিস্ফোরণ
রাত্রি শেষ , তাবলে কি কিছুই বুঝব না
সবাই চেনা প্রান্তর জঙ্গল পাখি নদী ও আকাশ
তবু যেন অচেনা ছড়িয়েছে
অন্ধকারে নিজের শিকড় …
ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।