নিমগাছ বাড়ির উঠোন ধূসর জানালার কাঁচ দিয়ে উঁকি তোলে আবদ্ধ স্মৃতি
একতলার পাশের বাড়িতে থাকতেন বরিশালের জীবনানন্দ দাশ
ভীষণ হৈ চৈ ভাড়াটিয়ার উপদ্রব, ক্রমশ গান-বাজনায় ক্ষতিগ্রস্ত কবি
সিনেমা ট্রেলারের মতো কেটেকুটে চুম্বক অংশ হতো কবিতার
মহাকবি দান্তে-রবার্ট ফ্রস্ট প্রতীচী কবিতার মোহগ্রস্ত পাঠ
কালোট্রাঙ্কে ফুটনোট কিছু কবিতা টুকে রাখতেন দৈনন্দিন খাতায়
ক্লেদাক্ত বুকে সয়ে যান শত ক্লেশ উর্বরিত শব্দে বুননে শিল্পীত কবিতা
নৈকট্যপূর্ণ সম্পর্কের কথা সুরজিৎ দাশগুপ্তের কাছে লেখেন অনায়সে।
ইচ্ছে মতো ট্রামে ঘুরতেন প্রিয় শহর কোলকাতাতে ‘ মহাপৃথিবী ‘ র কবি
ল্যান্সডাউনের বাড়ির জানালার কাঁচ ধূসর চোখে উঁকি ‘ হায় চিল ‘
ভোরের কাক, দোয়েলের শিস, স্মৃতিমধুর বগুড়া রোড, প্রিয় বরিশাল
অকপটে লিখে যান নক্ষত্রপুঞ্জ ধূসর পান্ডুলিপি নির্লিপ্ত মিলু।
২| একদিন হেনরী স্বপন, জীবনানন্দ দাশ
কুড়ি-কুড়িটি বছর আগে কবিতার ভেনিস বরিশাল
হেঁটে যাচ্ছি সদর রোড, অশ্বিনীকুমার টাউন হল
নির্জন স্বাক্ষী বয়েসী রিকশাওয়ালা শহরের পথ
আবহমান বাঙলার কৃষ্ণচূড়ার প্রজ্জ্বলিত লাল ফুল
কিছুটা পথ হেঁটে যাই চেনা শহর ; মিশনারী রোড।
ঘোড়া সমারূঢ় গোধূলি সন্ধির নৃত্য দেখি কবিতা সম্মোহনে
একই পথ-ঘাট, মিছিলে শ্লোগান তুলি জনান্তিক সময়ের কাছে
কতোদিন যাওয়া হয়না স্মৃতিরোদ বিএম কলেজ!